স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: চিনা আগ্রাসন নিয়ে দলের কোনও নেতা-কর্মী যেন একটাও মন্তব্য না করেন। শুক্রবার তৃণমূলের দলীয় বৈঠকে কড়া বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি-সহ বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে শুক্রবার দলীয় বৈঠক ছিল তৃণমূলের। ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি, জেলা স্তরের নেতা, বিধায়ক ও সাংসদরা। বৈঠকে দলের আগামী কর্মসূচির দিক নির্দেশ করেন তৃণমূলনেত্রী। সঙ্গে চিন নিয়ে মুখ খোলার ব্যাপারে দলীয় নেতাকর্মীদের সাবধান করেন তিনি।

সূত্রের খবর, বৈঠকে মমতা বলেন, ‘চিন নিয়ে কারও কোনও কথা বলার দরকার নেই। যা বলার আমি বলব।‘

উল্লেখ্য, বুধবার টিকটক নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে মুখ খোলেন দলের সাংসদ নুসরত জাহান। তারপর থেকে তাঁকে বিজেপি-সহ সাধারণ মানুষের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। তাই এব্যাপারে সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।

তবে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলনে কোন কোন ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেস জোর দেবে সেটাও ঠিক করে দিয়েছেন নেত্রী। তিনি বলেছেন, রেল ও কয়লা শিল্পের ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকার যে পদক্ষেপ নিচ্ছে তা সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে। এলাকায় এলাকায় গিয়ে মানুষকে বলতে হবে রাজ্য সরকার কী কী কাজ করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার কীভাবে রাজ্যকে বঞ্চনা করছে সেটাও বুঝিয়ে বলতে হবে। একই সঙ্গে দিন দিন পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেড়ে চলার বিরুদ্ধেও সরব হতে হবে।

দুর্নীতি নিয়েও এদিন দলকে ফের সতর্ক করেছেন মমতা। তিনি বলেন, “যারা ভাবছে দুর্নীতি করে দলকে বদনাম করবে, তাদের বিরুদ্ধে দল কড়া ব্যবস্থা নেবে। প্রয়োজনে আমি নতুন নেতা তৈরি করে নেব। তবে দুর্নীতির সঙ্গে আপস করব না।” বিভিন্ন জায়গায় দলের গোষ্ঠীদ্বন্দও যে তিনি মেনে নেবেন না সেটাও বুঝিয়ে দেন মমতা। উত্তরবঙ্গের নেতাদের উদ্দেশে বলেন, “সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করুন। পরস্পরের সঙ্গে আলোচনা করে কাজ ভাগ করে নিন।”

সম্প্রতি করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষ তমোনাশ ঘোষের। এদিনের বৈঠকে ঠিক হয়েছে এবার থেকে সেই দায়িত্ব সামলাবেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ