কলকাতাঃ  সামনেই বিধানসভা ভোট! আর ভোটের আগে কার্যত ‘বিদ্রোহ’ দলের মধ্যে। একের পর এক বিধায়ক মুখ খুলছে। দলে ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই অবস্থায় আরও অস্বস্তি বাড়িয়ে মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলে থাকলেও একের পর এক পদ থেকে ইস্তফা তাঁর।

এবার বাংলাকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। গোটা কোর টিমকে বাংলার মাঠে নামিয়ে দিয়েছেন অমিত শাহ। পাঁচ ভাগে গোটা বাংলা চষে বেড়াচ্ছে পাঁচ কেন্দ্রীয় নেতা। এই অবস্থায় শুভেন্দুর মন্ত্রিত্ব ত্যাগ যে কিছুটা চাপ বাড়াবে সেই আঁচ পড়েছে কালীঘাটেই। তাই দলের প্রথম সারির নেতৃত্বকে জরুরি বৈঠকে ডাকেন তৃণমূল নেত্রী।

জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকে শুভেন্দুহীন দলের একুশের নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজি ঠিক করে দিয়েছেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংগঠনিক দায়িত্ববৃদ্ধি করেছেন দলের শীর্ষ নেতাদের। সেইসঙ্গে পুরোদমে ভোটপ্রচারে নামছেন তিনি নিজেও।

জানা গিয়েছে, আগামী ৭ ডিসেম্বর থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া , বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ ও মালদহে যাচ্ছেন দলনেত্রী নিজে। একসময়ে এই পাঁচ জেলায় তৃণমূলের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এক সময়ে বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহে তৃণমূলের পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু আঁচ যাতে এই সমস্ত এলাকায় না পড়ে সেজন্যে এবার নিজেই সরজমিনে এলাকায় যাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী। বুঝে নিতে চাইছেন সেখানকার পরিস্থিতি। সূত্রের খবর,তৃণমূল নেত্রী আগামী ৪ ডিসেম্বর সমস্ত জেলা সভাপতিদের সঙ্গে কথা বলবেন।

এরপর ৭ ডিসেম্বর অর্থাৎ সোমবার থেকে একেবারে ময়দানে নেমে পড়বেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে, সেদিনই একেবারে শুভেন্দুর খাসতালুক মেদিনীপুর কলেজের মাঠে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী বিধানসভা ভোটের ২৯৪ টি আসনে তিনিই যে মুখ সেই বার্তাই হয়তো শুভেন্দু খাসতালুক থেকে তাঁর কর্মীদের দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিক, আজ ফের একবার শুভেন্দু অধিকারীকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রামণ শানিয়েছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করে শুভেন্দুকে তুলোধনা করলেন শাসকদলের এই আইনজীবী-সাংসদ। তিনি বলেন, ‘‘কালো রক্ত যত আছে, সব বিজেপিতে যাক। উনি নিজের ইচ্ছায় মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন। বাংলায় যে যেখানেই জিতেছেন তিনিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেখিয়ে জিতেছেন। এরাজ্যের ২৯৪টি আসনের মধ্যে তাঁর আসনটিও পড়ে। সেই সময় তো বলার সাহস হয়নি, আপনি না, আমার কেন্দ্রে আমিই মুখ!

যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও কিছুতেই মন্তব্য করেননি শুভেন্দু।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।