ফাইল ছবি
শিলিগুড়ি: পরিবর্তনের বছরে বামেদের হাতছাড়া হলেও পরের নির্বাচনে কেন্দ্রটি পুনর্দখল করে সিপিআইএম। শুধু তাই নয়, রাজ্যের এই একটি পুর নিগমেই বাম ও কংগ্রেসের ক্ষমতা। আর সেই জোট রাজনীতির কারিগর অশোক ভট্টাচার্যের এলাকাতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মহামিছিল।
তৃণমূলের শাসনে শিলিগুড়ি যেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কাঁটা। গত ২০১৬ সাল থেকে আর উত্তরবঙ্গের রাজধানীতে তৃণমূলের শক্তি নেই। সর্বশেষ গত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের আসনগুলি হাতছাড়া হয় তৃণমূলের। বিজেপির উত্থান হয়।
বিধানসভা নির্বাচনে তাই উত্তরবঙ্গের জমি পুনরুদ্ধারে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর মহামিছিল ঘিরে রাজনৈতিক পারদ চড়ছে। রবিবার তিনি দার্জিলিং মোড়ে জনসভা করবেন। তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, গ্যাসের দাম নিয়ে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস পরিস্থিতির বিরুদ্ধেই কেন্দ্রের মোদী সরকারকে চরম আক্রমণ করবেন মমতা।
দার্জিলিং জেলা তৃণমূল সূত্রে খবর, শিলিগুড়ির মহামিছিলে যোগ দিতে উত্তরবঙ্গের হেভিওয়েট মন্ত্রী, নেতারা থাকবেন। ব্যবধান ঘুচিয়ে দুই হেভিওয়েট নেতা ও মন্ত্রী গৌতম দেব এবং রবীন্দ্রনাথ ঘোষ কি পাশাপাশি হাঁটবেন? প্রশ্ন উঠছেই।
অন্যদিকে সিপিআইএমের হেভিওয়েট নেতা অশোক ভট্টাচার্যের এলাকা শিলিগুড়ি। তিনি পুর নিগমের প্রাক্তন মেয়র, বর্তমান পুর প্রশাসক ও বিধায়ক। বারবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বরাদ্দ করা অর্থ নিয়ে সরব হয়েছেন। বামেদের অভিযোগ, বিরোধী হাতে পুর নিগম থাকায় রাজ্য সরকার সেরকম সাহায্য করেনি। যদিও সরকারের দাবি, নেহাতই বিরোধিতা করতে হবে তাই এমন বলছেন অশোকবাবু।
পরিস্থিতি জটিল হয়েছে শিলিগুড়ি থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে ওমপ্রকাশ মিশ্র কে প্রার্থী করান। তিনি ‘বহিরাগত’ বলে তৃণমূলেরই একাংশ ক্ষুব্ধ।কলকাতার বাসিন্দা ওমপ্রকাশ বাবু। ফলে শিলিগুড়ির তৃণমূল নেতৃত্বের বড় অংশ প্রার্থী নিয়ে অখুশি।
প্রার্থী জটিলতা দূর করতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভূমিকা নেবেন। তাঁর বার্তা থাকবে দার্জিলিং জেলার পাহাড়ি তিনটি আসন দার্জিলি, কার্সিয়াং ও কালিম্পং জেলায় বন্ধু দল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রতি। প্রার্থী ঘোষণার দিন এই তিনটি আসন সবার আগে ছেড়ে দেন তৃণমূল নেত্রী।
নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণার পরেই শিলিগুড়ির জনসভা ও মহামিছিল তৃণমূল নেত্রীর সর্বপ্রথম রাজনৈতিক সমাবেশ। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।