কলকাতা: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই নাম না করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ও ইউজিসির গাইডলাইন প্রসঙ্গ তুলে মোদীর হস্তক্ষেপ দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিকেলে করোনা পরীক্ষার যন্ত্র কোভাস উদ্বোধনের আগে গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মোদী কথা বলেন মহারাষ্ট্র ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। সেই বৈঠকেই নিজের ক্ষোভের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বৈঠকের শুরুতেই ইউজিসির সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রথমে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছিল। পরে পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলা হয়।’ বর্তমান পরিস্থিতিতে কীভাবে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব তা জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী।

করোনার সংক্রমণ ক্রমেই বাড়ছে দেশজুড়ে। এই পরিস্থিতিতে একসঙ্গে পড়ুয়াদের বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়া অসম্ভব বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থের কথা খেয়াল রেখেই প্রধানমন্ত্রীকে আরও মানবিক হতে আবেদন জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, স্নাতক ও স্নাতকোত্তরস্তরের পরীক্ষা নিয়ে ইতিমধ্যেই ইউজিসির জবাব তলব করেছে দেশের শীর্ষ আদালতও।

ইউজিসির নির্দেশ প্রসঙ্গ তোলার পাশাপাশি এদিন নাম না করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়েরও কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে ধনখড়ের সম্পর্কে নাম না করেই একের পর এক তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘করোনার বিরুদ্ধে কেন্দ্র-রাজ্য মিলে লড়াই করছে। করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্র সাহায্য করছে। তবে সাংবিধানিক পদে থেকেও অনেকে রাজ্যের কাজে বাধা দিচ্ছেন।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।