নিবেদিতা দে, কলকাতা: প্রথম রাত কেটেছে অনিদ্রায়। দ্বিতীয় দিন সকালে মঞ্চে মমতার হাঁটাচলাকে অনেকেই অস্থিরতা বলে মনে করেছেন। তবে দ্বিতীয় রাত ছিল অনেকটাই শান্ত। রাত পোহালেই নির্দেশ দেবে সুপ্রিম কোর্ট। তার আগে ঠান্ডা মাথায় ঘুমিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

দ্বিতীয় রাতে একটু স্বস্তিতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল নেত্রীকে। এসেছিলেন তেজস্বী ও কানিমোঝি। তাঁরা এসে মমতার আন্দোলনকে আরও জোরদার করেছেন। তাই রাতে মমতা একটু ঘুমিয়েছেন বলেই খবর। রাত বাড়তেই মঞ্চে নেমে আসে কালো পর্দা।

মুখ্যমন্ত্রী ঘুমোবেন, তাও আবার রাস্তায়! তাই একটু স্পেশাল ব্যবস্থা করেছিলেন সমর্থকেরা। রাতে মঞ্চের আশেপাশের আলো নিভিয়ে দেওয়া হয়। সকলকে আস্তে কথা বলতে অনুরোধ করেন দলের নেতারা। গাড়িগুলি কেসি দাসের সামনে থেকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। তবে মধ্যরাত থেকেই তৃণমূল সমর্থকদের মিছিল আসতে শুরু করে।

সকাল ৯টার খানিক আগে সরে যায় পর্দা। মঙ্গলবার ঘুম থেকে উঠে নেত্রী সোজা চলে যান মঞ্চের পিছনের পুলিশের আউট পোস্টে। সেখানেই ফ্রেশ হয়ে, শাড়ী পালটে মঞ্চে ফেরত আসেন।

মমতার এই সত্যাগ্রহ তিনদিনে পড়ল। যদিও ২০০৬ সালে একটানা ২৬ দিন এই মেট্রো চ্যানেলেই অনশন ধর্ণায় বসেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। ফারাক একটাই। তখন তিনি বিরোধী নেত্রী আর এখন তিনি মুখ্যমন্ত্রী। তবে মমতার জীবনের এই ফারাক কিন্তু তাঁর আন্দোলনে কোনও ছাপ ফেলেনি। তাঁর চরিত্রে এখনও সেই ‘স্ট্রিট ফাইটার’ এর লক্ষণ।

রবিবার যখন তিনি ধর্ণায় বসেন তখন মঞ্চ তৈরি হয়নি। তাই সেদিনের রাতটা অনুগামী, সাংবাদিক ও দলের নেতাদের সঙ্গে বসেই কাটিয়েছিলেন মমতা। প্রথম দিন কিছু খাবারও খাননি তিনি।

কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে রবিবার রাত থেকে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধরনা শুরু করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও এই ধর্ণাকে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের নাম দিতে রাজি নয়। তাঁর কথায় এটা সত্যাগ্রহ আন্দোলন। দেশ বাঁচানোর লড়াই। মমতার এই আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছেন অন্যান্য রাজ্যগুলির নেতা মন্ত্রীরাও।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও