কলকাতাঃ  নেতাজি জন্মজয়ন্তীতে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে জয় শ্রী রাম স্লোগান তোলা হয়। সেই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্য বয়কট করেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এর ঠিক দুদিন পর প্রকাশ্য সমাবেশ থেকে রাজনৈতিকভাবে এই অপমানের জবাব তিনি দেবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

একই সঙ্গে ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। আজ বৃহস্পতিবার ফের একবার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। পাশাপাশি কেন্দ্রকে মমতার জবাব, আগে দিল্লি সামনে পরে বাংলা!!

এদিন বিধানসভায় প্রধানমন্ত্রী মোদীর পদত্যাগ দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। দিল্লির ঘটনা সামনে এনে তিনি বলেন, দেশের পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। তাই অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রী মোদীর পদত্যাগ করা উচিত।

উল্লেখ্য, এদিন বিধানসভায় কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে প্রস্তাব আনে সরকারপক্ষ।

কেন্দ্রের নয়া ৩টি কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয় প্রস্তাবে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিধানসভায় সেই প্রস্তাব পেশ করতে শুরু করলে, হই হট্টগোল জুড়ে দেন বিজেপি বিধায়করা। ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে শুরু করেন তাঁরা। এরপর প্রস্তাবের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালীন-ই ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা। সবমিলিয়ে ধুন্ধমার বেধে যায় বিধানসভায়।

জানা গিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে প্রস্তাব পেশ করতে শুরু করলে বিজেপি বিধায়ক মনোজ টিগ্গা ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। সেই স্লোগানে যোগদান করেন কংগ্রেস বিধায়ক দুলাল বরও, যিনি এখন বিজেপি শিবিরে যোগ দিয়েছেন।

এই হট্টগোলের মধ্যেই সরকার পক্ষের আনা প্রস্তাবের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী বলতে থাকেন, “এটা খুব দুঃখের বিষয় যে কেউ আন্দোলন করলে, সন্ত্রাসবাদী তকমা দিয়ে সেই আন্দোলন ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। ২৬ জানুয়ারি পুলিসের ইনটেলিজেন্স ফেলিওর ছিল। পুলিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। একটা-দুটো ছোট ঘটনা আন্দোলনের মধ্যে হতেই পারে, কিন্তু তার জন্য কৃষকদের দেশদ্রোহী, খালিস্থানি বলার তীব্র বিরোধিতা করছি।”

উলেখ্য, কৃষি আইনের প্রতিবাদে ২৬ জানুয়ারি দিল্লিতে ট্রাক্টর ব়্যালি আটকানো নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছিলেন কেন্দ্রের উদাসীনতার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। কৃষকদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানোর প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তিনি। মোদী অসংবেদন শীল আচরণ করেছেন কৃষকদের প্রতি টুইটে এমনই অভিযোগ করেছিলেন মমতা।

এপ্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়।  মুখ্যমন্ত্রীর আচরণ ভারত বিরোধী৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।