নিউজডেস্ক, কলকাতা: তৃণমূলের কাটমানির বদলে বিজেপির ব্ল্যাকমানি৷ বিজেপির বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমানি ইস্যুতে বাজার মাত করতে মাঠে নেমে পড়ল তৃণমূল৷ সূচনা হয়েছে রাজ্য বিধানসভাতেই৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্ল্যাকমানি ইস্যুতে ইতিমধ্যেই সুর চড়িয়েছেন৷ লোকসবা নির্বাচনের পর বিজেপির বিরুদ্ধে কোন শক্তপোক্ত ইস্যু খুছিলেন মমতা৷

উপরন্তু মানুষের রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে ইভিএমে – তা নেত্রী বেশ ভালোই বুঝতে পেরেছেন৷ সেই করণের নেতাদের পাবলিকের থেকে নেওয়া কাটমানি ফরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন৷ কিন্তু সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েছে বিজেপিও৷ তৃমমূলের বিরুদ্দে কাটমানিকে প্রচার হিসাবে কাজে লাগানো হয়েছে৷

বুধবার বিধানসভায় বিজেপিকে রুখতে একজোট হয়ে লড়তে হবে, ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরই মুকুলের প্রতিক্রিয়া, উনি তো মেনেই নিলেন, বাংলায় বিজেপি সর্ববৃহৎ দল৷ তৃণমূল ক্ষয়িষ্ণু শক্তি৷ এইখানেই কাটমানি ইস্যুটি বিশেষ প্রাধান্য পেয়েছে৷ বিজেপির সাংসদ বিলীপ ঘোষ রা কাটমানি ইস্যুকে যেখানে সংসদ পর্যন্ত পৌছে দিয়েছেন, সাখানে রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী বিধায়করা প্ল্যাকার্ড হাতে দাড়িয়েছেন, ‘সিএম = কাটমানি৷’

বুধবারই রাজ্য বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ‘কাটমানি’র পালটা ‘ব্ল্যাকমানি’র বিষয়টি প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চেয়েছেন৷ লোকসভা নির্বাচনে খরচ কোথা থেকে হয়েছে সেই বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়ন দাবি করেছেন, নির্বাচনী প্রচারে শুধুমাত্র বিজেপির হয়ে ৮০ শতাংশ বিজ্ঞাপন দিয়েছে গুগল। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন,‘‘সাধুদের মধ্যেও কেউ কেউ অসাধু থাকেন৷ ঠিক তেমনই আমি জানি দলে থাকা ০ .১ শতাংশ মানুষ খারাপ৷ তবে সবাই খারাপ নয়৷ কাটমানি রুখতে মনিটরিং সেল খুলেছি৷’’ মুখ্যমন্ত্রী অদিন ফেক নিউজের বিরুদ্ধে বলেন, দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা চলছে৷’’