শিলিগুড়ি: রাজ্য আর কেন্দ্রের সংঘাত লেগেই রয়েছে। কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মমতাকে নিশানা করে বলেছিলেন– বাংলায় শিক্ষার অগ্রগতি নেই! এবার সেই মন্তব্যের জবাব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার শিলিগুড়ির জনসভা থেকে অমিত শাহকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বাংলা এখন নোবেলভূমি। অভিজিৎ নোবেল পেল, বউটা পেল, ডবল-ডবল নোবেল।

রাজ্য আর কেন্দ্রের চাপানউতোরের মাঝেও ভাল খবর বাংলার ছেলের নোবেল প্রাপ্তি। এবার অর্থনীতিতে নোবেল জয় করেন অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার কলকাতার মাটিতে পা রাখবেন নোবেল প্রাপক। ইতিমধ্যেই অভিজিতের বাড়িতে গিয়ে নোবেলজয়ীর মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অমর্ত্য সেনের নোবেল প্রাপ্তির কয়েক বছর বাদেই ফের অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে এবার নোবেল অর্জন করেছেন তাঁরই স্ত্রী এস্থার ডুফলো। এ ছাড়াও তাঁদের সঙ্গে যুগ্ম ভাবে নোবেল প্রাপক অর্থনীতিবিদ মাইকেল ক্রেমার।

আমেরিকাবাসী অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই ভারতের মাটি ছুঁয়েছেন। নানা স্তরের মানুষ তাঁকে ঘিরে সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। নোবেল জয়ের পর সমালোচিতও হয়েছেন অভিজিৎ। বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ নোবেলজয়ীর উদ্দেশ্যে বলেন অর্ধেক বাঙালি। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন– বিদেশিনী বিয়ে করলে নোবেল পাওয়া যায়। সদ্য নোবেলজয়ী অভিজিতের উদ্দেশ্যে বিজেপি এমন কুরুচিকর আক্রমণের সমালোচনা করেন বহু সংবেদনশীল মানুষ।

বাংলা যে এখন পিছিয়ে নেই এ কথাই শিলিগুড়ির জনসভা থেকে মনে করিয়ে দিলেন জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, এবার বাংলার ঘরে ডবল নোবেল এসেছে। এভাবেই শত্রুকে চেনা মহিমায় বিঁধলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.