কলকাতা: করোনা মোকাবিলায় এবার সরকারি কর্মীদের জন্য রাজ্যের নয়া গাইডলাইন। এবার থেকে সরকারি অফিসগুলিতে ৭০ শতাংশের বদলে ৫০ শতাংশ কর্মীরা আসবেন। ৩০ জুলাই পর্যন্ত এই নিয়ম জারি করল রাজ্য সরকার। এরই পাশাপাশি ব্যাংকগুলিতে যাতে সপ্তাহে দু’দিন ছুটি দেওয়া যায় সেব্যাপারে রাজ্য সরকার চিন্তাভাবনা করছে বলে বৃহস্পতিবার নবান্নে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

করোনা ক্রমেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বাংলায়। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার সবরকম প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে বলে বৃহস্পতিবার নবান্নে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

করোনার সংক্রমণের জেরে এতদিন রাজ্য সরকারি দফতরগুলিতে ৭০ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকতেন। তবে গত কয়েকদিনে লাগামছাড়া সংক্রমণ বাংলায়। পরিস্থিতির কথা বিচার করেই এবার থেকে সরকারি অফিসগুলিতে ৭০ শতাংশের বদলে ৫০ শতাংশ কর্মীরা আসবেন। ৩০ জুলাই পর্যন্ত এই নিয়ম জারি করল রাজ্য সরকার।

এরই পাশাপাশি এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সব সরকারি দফতরে প্রতি সপ্তাহে স্যানিটাইজ করা হবে। এছাড়াও বর্তমান পরিস্থিতির কথা বিচার করে ওয়ার্ক ফ্রম হোম পদ্ধতিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি অফিসগুলির পাশাপাশি বেসরকারি অফিসগুলিকেও ওয়ার্ক ফ্রম হোম পদ্ধতিতে কাজ চালানোর আবেদন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্য বাংলাই সেরা, এদিন সাংবাদিক বৈঠকে এমনই দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালে পরিকাঠামোর উন্নয়ন হয়েছে। রাজ্যের সরকারি হাসপাতালের অবস্থা ভাল সাধারণ মানুষ সরকারি হাসপাতালে যাচ্ছেন। এনআরসে ১১০টি বেড বাড়ানো হয়েছে।’

আবাসনগুলিতে করোনার সংক্রমণ বেশি ছড়াচ্ছে। সেই কারণেই এদিন আবাসন কমিটিগুলিকেও বাড়তি সচেতনতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আবাসনগুলিতে বাড়ছে সংক্রমণ, সবাই নজর দিন। স্যানিটাইজের ব্যবস্থা করুন।’

সংক্রমিত হলে আরও বেশি সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যেখানে পরিকাঠামো নেই সেখানে যাবেন না। অনেকে ছোট-ছোট নার্সিংহোমে একটা ঘরে থাকবেন ভেবে যাচ্ছেন। পরিকাঠামো না থাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা হচ্ছে না।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ