নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দিতে শনিবার সন্ধ্যায় দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্ধারিত সূচী অনুসারে রবিবার নরেন্দ্র মোদী বৈঠকে বসবেন মমতা সহ দেশের অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে।

লোকসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই দিল্লি সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নীতি আয়োগের বৈঠকে আগামী দিনে দেশ পরিচালনার রূপরেখা তৈরি হবে। একই সঙ্গে বিজেপি বিরোধী সকল মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যেও স্থির হতে পারে লোকসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের রূপরেখা। সেই উপলক্ষে বাম শাসিত রাজ্য কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন মমতা।

এদিন দিল্লি পৌঁছেই এইমস হাসপাতালে পৌঁছান মমতা। বার্ধক্য জনিত অসুস্থতা নিয়ে সেখানে ভরতি রয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী। তাঁর সঙ্গে দেখা করতে না পারলেও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন মমতা। কথা বলেছেন চিকিৎসকদের সঙ্গে।

এরপরেই অন্ধ্র প্রদেশ ভবনে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখা করেন এন চন্দ্রবাবু নাইডুর সঙ্গে। সূত্রের খবর, নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দিতে আগ্রহী ছিলেন না পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। চন্দ্রবাবু নাইডু-র পরামর্শেই নিজের সিদ্ধান্ত বদল করেন মমতা।

মমতা এবং চন্দ্রবাবু নাইডু-র পাশাপাশি দিল্লি পৌঁছেছেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং কর্ণাটকের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী। অন্ধ্র প্রদেশ ভবনেই একযোগে বৈঠক করেন চার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আলোচ্য বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবশ্য এখনও কিছু জানা যায়নি।

এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, ফেডারেল ফ্রন্ট গঠনের স্বার্থে আঞ্চলিক দলগুলিকে এক ছাতার তলায় আসার বার্তা দিয়েছিলেন মমতা। সেই সময় প্রশ্ন উঠেছিল বামেদের নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে। বাম মুখ্যমন্ত্রী কেরলার পিনারাই বিজয়ন-র সঙ্গে এক ঘরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক সেদিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এদিন রাতেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরভিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।