দেবময় ঘোষ, কলকাতা: রবিবার , ‘২১ শে জুলাই’ যাবতীয় চ্যালেঞ্জ কে উড়িয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১-এর লক্ষ্য স্থির করবেন। ২০২১ -এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে শাসক দলকে। লোকসভায় ১৮টি আসন পেয়ে গেরুয়া শিবির কার্যত রাজ্যের প্রধান বিরোধী শক্তি হয়ে উঠেছে। সেক্ষেত্রে রবিবারের ‘২১ জুলাই’ নিশ্চিতভাবেই গুরুত্বপূর্ণ।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা রবিবারের ‘২১ জুলাই’ সম্পর্কও দুটি কথা খুব বেশি বলছেন। এক, লোকসভা নির্বাচনে ধাক্কা খাওয়ার পর এটাই মুখ্যমন্ত্রীর প্রথম বড় জনসভা। তার ওপর ২১ জুলাই। বিজেপিকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে চাইবেন তিনি। দুই, ‘পলিটিক্যাল স্ট্রাটেজিস্ট’ প্রশান্ত কিশোর তৃণমূলকে সাহায্য করছেন। জনতার দরবারে তৃণমূলের ভাবমূর্তি ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে তিনি মমতাকে সাহায্য করছেন। সেক্ষেত্রে রবিবার ‘প্রশান্ত এফেক্ট’ কিছুটা টের পাওয়া যেতে পারে।

শনিবার দুপুরে ধর্মতলায় ২১ জুলাই মঞ্চে গিয়ে দেখা গেল কাজ প্রায় শেষ। শেষ মুহূর্তের কাজগুলি করে নেওয়া হচ্ছে। প্রতিবারের মতোই মূল মঞ্চের পিছনে আরো দুটি মঞ্চ রয়েছে। মঞ্চের মূল।কাঠামোর পাশে রয়েছে আরও একটি কাঠামো। সংবাদমাধ্যমের জন্যও রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।

প্রতিবারই ২১ জুলাই কত ভিড় হলো তা নিয়ে জল্পনার সাধ থাকে না। কয়েক লক্ষ মানুষ মঞ্চের আশেপাশেই থাকেন। আরও কয়েক লক্ষ মানুষ সারা কলকাতায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। এবারের ২১ জুলাই তে ভিড় কত হইবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিজেপি কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, এবারের উত্তর বঙ্গ থেকে তেমন লোক হবে না। দক্ষিনবঙ্গই ভরসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

তৃণমূলে এবারের ২১ জুলাই-এর লক্ষ ইভিএম নয়। ব্যালট ফিরিয়ে আনতে হবে। তা শুনে বিজেপির বক্তব্য, নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা। উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) ইভিএম দিয়েই মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। লোকসভায় ১৮টি আসনে হেরে উনি বলছেন ইভিএম-এ গোলমাল। ২১-এর আবহ কিন্তু অন্য কথা বলছে । কোথাও যেন দু বছর বাদের সেই বিধানসভা ভোটেরই ঢাকে কাঠি পড়তে চলেছে কি? উত্তর ভেসে আসছে, ২১-এর লক্ষে ‘২১ শে জুলাই ।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.