দিঘা: এ বছরের শুরুতেই দিঘায় গিয়ে আন্তর্জাতিক মানের কনভেনশন সেন্টারের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার দিঘায় ‘বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভে’র মঞ্চে শিল্পপতিদের বাংলায় বিনিয়োগের কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন বাংলাই এখন বিনিয়োগের সেরা ঠিকানা।

কেন বাংলাই সেরা? সে প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বাংলায় বৈষম্য নেই, বিভেদ নেই’। পাশাপাশি দেশের মধ্যে যে বাংলা এগিয়ে তাও বলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেশে ২০১৬-১৭ সালে আর্থিক বছরে জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৮৭ শতাংশ। কিন্তু ২০১৯-২০ দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে তা হয়েছে ৪.৫৫ শতাংশ।

অন্যদিকে রাজ্যের প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এ রাজ্যে সারা দেশের তুলনায় শিল্পোৎপাদনের হার দ্বিগুন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার আমরা গোটা দেশের তুলনায় ৪০ শতাংশ কমাতে পেরেছি।”

এরাজ্যে বিনিয়োগ টানতে মমতা আরও বলেন, ‘রাজ্য সরকারের নিজস্ব ল্যান্ডব্যাঙ্ক রয়েছে৷ শিল্পপতিদের ল্যান্ডব্যাঙ্ক থেকে জমি দেবে রাজ্য সরকার৷ শিল্প তৈরিতে রাজ্যের একজানলা নীতিরও সুফল পাবেন শিল্পপতিরা৷’

এদিন আরও একবার বাংলার সম্প্রীতির পরিবেশ নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তাঁর কথায়, ‘বছরের পর বছর ধরে বাংলায় সম্প্রীতির সুষ্ঠু পরিবেশ৷ গোটা বাংলা জুড়ে বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের মানুষের বাস৷ বাংলায় কোনও বিভেদ নেই৷ বাংলায় শিল্প গড়লে সাম্প্রদায়িক এই মেলবন্ধনের লাভ পাবেন শিল্পপতিরাও৷’

গত ৮ বছরে খোলনলচে বদলেছে দিঘা৷ সেখানকার সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি গোটা শহর ঢেলে সাজিয়েছে রাজ্য সরকার৷ দেশের শিল্পপতিদের পাশাপাশি বিদেশি শিল্পপতিদের কাছেও দিঘা বিনিয়োগের অন্যতম পছন্দের ক্ষেত্র হয়ে উঠছে বলে সওয়াল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ দিঘায় পর্যটন কেন্দ্রে আরও বিনিয়োগের সুযোগ আছে বলে এদিন মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ