স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ঘটনা ১০ জুনের। তারপরই এন আর এসের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলন শুরু হয়। ছড়িয়ে পড়ে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি অনমনিয়তা না দেখাতেন তবে এই ঘটনা মাত্রা ছাড়াতো না বলে মনে করে রাজ্য বিজেপি।

বিজেপির সাফ কথা, ১০ জুনের ঘটনার পর-পরই মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসক ছাত্রদের সঙ্গে বসার দরকার ছিল। কিন্তু তিনি তা না করে ১৩ জুন এস এস কে এম হাসপাতালে গিয়ে ছাত্রদের হোস্টেল খালি করার হুমকি দিয়ে আসেন। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর থেকে এই আচরণ আসা করা যায় না।

পড়ুন: ১৪৪ ধারা জারি হলে নিজে হাতে আইন ভাঙবেন দিলীপ

রাজ্য বিজেপির সহসভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার সোমবার বলেন, ১০ জুনের ঘটনার পর একবারের জন্যেও ডাক্তারদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী দেখা করতে গেলেন না এন আর এসে। বরং ১৩ জুন এস এস কে এমে তিনি হুমকি দিলেন। আজ (সোমবার) এমন বাড়তি আর কি বলেছেন। এই কথাগুলি হাসপাতালে গিয়ে বললে সমস্যা থাকত না। কতগুলি প্রাণ বেঁচে যেত। যে প্রাণ গিয়েছে, তাঁর দায় জুনিয়র ডাক্তারদের নয়, মুখ্যমন্ত্রীর।”

রাজ্য জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে আগাগোড়া সমর্থন করে এসেছে বিজেপি। কারণ, বিজেপির বক্তব্য ছিল, একটি বিশেষ গোষ্ঠীর একদল দুষ্কৃতী হাসপাতালে তাণ্ডব চালিয়ে ওই ঘটনা ঘটিয়েছে। বিজেপির বক্তব্য ছিল, রাজ্যের শাসক দলের প্রশ্রয়েই এই ঘটনা ঘটে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু, এই ঘটনার রাজনৈতিক মাইলেজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে যাক তা চায় না বিজেপি। স্বাভাবিক ভাবেই, বিজেপির বক্তব্য, মমতার কেরিয়ারে সব থেকে কালো অধ্যায়ের অন্যতম এই ঘটনা।