নন্দীগ্রামঃ রাজ্যে চলছ কার্যত লকডাউন। মানুষজন বাড়ির বাইরে বেরোতে দ্বিধাগ্রস্ত। তাই অনেকের এফআইআর দায়ের করা থেকে জটিল আইনি সমস্যার সমাধানের জন্য পুলিশই এবার পৌঁছে যাবে মানুষের দোরগোড়ায়। গতকাল এই পরিষেবায় চালু হল নন্দীগ্রামে (Nandigram)। এই উদ্যোগের নাম ‘ দুয়ারে পুলিশ প্রকল্প’ (Duyare Police)। জানা যাচ্ছে, আগামী এক মাস ধরে এই পরিষেবা পেতে চলেছে নন্দীগ্রামের দুই ব্লকের মানুষজন। ওই এলাকার ১৬টি জায়গায় এই পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। নন্দীগ্রাম থানার আইসি তুহিন বিশ্বাস জানিয়েছেন, থানায় যে পরিষেবা দেওয়া হয় , সেই একই পরিষেবা গ্রামে গ্রামে চালু করছি। পুলিশ গ্রামে গ্রামে যাচ্ছে, এবার প্রতিটি এলাকা এবং পাড়ায় যাব যাতে সহজেই মানুষজন পুলিশি সহায়তা পান।

অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হিংসার খবর নন্দীগ্রাম থেকেও উঠেছিল। সেখানকার বিজয়ী বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কর্মী-সমর্থকদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছিল গেরুয়া শিবির (BJP)। ভোট পরবর্তী হিংসা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর (Jagdeep Dhankar) যে এলাকাগুলি ঘুরে বেড়িয়ে ছিলেন, তার মধ্যে ছিল নন্দীগ্রামও। সেখানকার বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই মন্তব্য করেছেন রাজ্যের গণতন্ত্রের হরণ ও অত্যাচার বন্ধ করতে হবে। আমরা যাঁরা ভোটে জিতেছি, তাঁদের এগিয়ে আসতে হবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। এমনকি এই ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে তিনি শরণাপন্ন হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi) এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। এদিন তাঁর কেন্দ্রেই চালু হল দুয়ারে পুলিশ প্রকল্প।

তবে এই প্রকল্প নিয়েও শাসক-বিরোধী (TMC BJP) ঘাত-প্রতিঘাত অব্যাহত। নন্দীগ্রাম জেলার গেরুয়া শিবিরের সহ সভাপতি আক্রমণ শানিয়ে বললেন, ‘রাজ্যের সর্বত্র চলছে দুয়ারে সন্ত্রাস, আর এখন বলছে দুয়ারে প্রশাসন। মানুষ এটি ভালোভাবে নেবে না।’। এমনকি গোটা গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য এই প্রকল্প আসলে ভাঁওতা। তবে উত্তর দিতে পিছপা হয়নি তৃণমূলও। নন্দীগ্রামের তৃণমূল কগ্রেসের (TMC) ব্লক সভাপতি স্বদেশ দাস বিজেপি শিবিরকে তাগ দেগে বললেন, ‘আসলে বিজেপিই ভাঁওতা। নন্দীগ্রামে ভোটের আগে কারা মার খেয়েছে সেটি দেখুন, দুয়ারে সরকারের মতো মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে পুলিশও’। তিনি এও বলেন, এই প্রকল্প শুধু জেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, ছড়িয়ে পড়বে গোটা রাজ্যে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.