স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। সেই সূত্রে আগামী ১১ মার্চ, শিবরাত্রির দিন ওই কেন্দ্রের জন্যে মনোনয়ন পেশ করতে চলেছেন তিনি। তৃণমুল সূত্রে খবর, তমলুক অথবা হলদিয়া প্রশাসনিক ভবনে মনোনয়ন পেশ করবেন মমতা বন্দোপাধ্যায়।

 রাজ্যে আট দফায় ভোট ঘোষণা করেছে কমিশন। তার মধ্যে দ্বিতীয় দফায় আগামী ১ এপ্রিল নন্দীগ্রামে ভোট। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম তিন দফার ভোটের জন্য দলের প্রার্থী তালিকা এরমধ্যেই প্রকাশ করা হবে। সেই তালিকায় নন্দীগ্রামের প্রার্থী হিসেবে থাকবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। আগামী ১১ মার্চ তৃণমূলনেত্রী হলদিয়া অথবা তমলুকের মহকুমাশাসকের দফতরে গিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করবেন তিনি। সূত্রের খবর বেলা ১২টার পরে শুভ সময় দেখে তিনি পেশ করতে চলেছেন মনোনয়ন। এছাড়া আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তিনি নন্দীগ্রামে সভা ও রোড শো করতে চলেছেন।

গত ১৮ জানুয়ারি পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে তেখালি মাঠের জনসভা থেকে ভোটে দাঁড়ানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করে‌ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েকদিন ধরেই নন্দীগ্রামে শুরু হয়ে গিয়েছে দেওয়াল লিখন। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নাম নিয়েই চলছে দেওয়াল লিখন। তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা শুরু করে দিয়েছেন ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার। চলছে সভা, মিছিল। রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে ভোট গ্রহণ হবে।

গত বিধানসভা নির্বাচনে এই নন্দীগ্রাম থেকে বিধায়ক হিসেবে জিতে রাজ্য মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কিছু দিন আগে তিনি মন্ত্রীত্ব এবং বিধায়ক পদ ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছেন। মমতা বন্দোপাধ্যায় যেদিন নন্দীগ্রাম আসনে নিজের নাম ঘোষণা করেন সেদিনই বিজেপি নেতা, নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, হাফ লাখ ভোটে হারাবেন তৃণমূল সুপ্রিমো’কে। শুভেন্দুর দাবি, ৬২ হাজার সংখ্যালঘু ভোটের জন্যই মমতা ওখানে প্রার্থী হচ্ছেন। বাকি সমস্ত ভোট আমরা পাব। ভোটের আগেই এই যে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ শুভেন্দু করে দিয়েছেন সেই পরিস্থিতিরই ফায়দা তুলতে চায় তৃণমূল কংগ্রেস। একেবারে ধর্মনিরপেক্ষভাবে নন্দীগ্রামে মমতার সমর্থনে শুরু হতে চলেছে প্রচার। রাজনৈতিক মহলের ধারণা বিজেপি নন্দীগ্রাম আসন থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করবে। ফলে এই হাইপ্রোফাইল কেন্দ্র’কে ঘিরে নজর গোটা দেশের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।