বালুরঘাট: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় বেসামাল বাংলা। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি বিপজ্জনক আকার নেওয়ার দায় প্রকারান্তরে বিজেপির ঘাড়েই চাপালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বালুরঘাটে নির্বাচনী সভা থেকে নাম না করে কেন্দ্রের শাসকদলকে নিশানা করে তৃণমূলনেত্রীর তোপ, ‘‘বহিরাগতদের এনে ওরাই রোগ ছড়াচ্ছে৷’’

রাজ্যে হু হু করে ছড়াচ্ছে করোনার সংক্রমণ। উদ্বেগ বহু গুণে বাড়িয়েছে মঙ্গলবারের রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের হেল্থ বুলেটিন। একদিনে প্রায় ১০ হাজারের কাছাকাছি মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বাংলায়। একদিনে রাজ্যে করোনার বলি ৪৬। বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ১৭২। এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৫৮ হাজার ৩৮৬। রাজ্যের মধ্যে কলকাতায় সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতি। সোমবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানানো হয়, রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৪২৬ জন। আর শুধু কলকাতায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ২১১ জন।

গোটা রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে। রাজ্যে করোনার চোখ রাঙানি বেড়ে যাওয়ায় শুরু থেকেই বিজেপিকে নিশানা করে আসছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিনও দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে নির্বাচনী সভায় গিয়ে বিজেপিকে নিশানা করেছেন তৃণমূলনেত্রী। রাজ্যে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পিছনে বিজেপিকেই দায়ী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বালুরঘাটের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও তুলোধনা করেছেন তৃণমূলনেত্রী।

তিনি বলেন, ‘‘এটা মোদী মেড ডিজাস্টার।” করোনা পরিস্থিতিতে বুধবারও অত্যন্ত কম সময় সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। করোনার জেরে দিন কয়েক ধরেই জেলায় নির্বাচনী সভার সময় সংক্ষিপ্ত করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিন বালুরঘাটের সভা থেকে কেন্দ্রের শাসকদলকে নিশানা করে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ‘‘বহিরাগতদের এনে ওরাই রোগ ছড়াচ্ছে।”

এরই পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও নিশানা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো৷ তাঁর কথায়, ‘‘পরিস্থিতি জটিল করে দিয়ে এখন দেশবাসীর উপর ছেড়ে দিচ্ছেন। এটা মোদী মেড ডিজিস্টার।’’ করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার রাজ্যবাসীর স্বার্থে সব ধরনের পদক্ষেপ করছে বলেও এদিন জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে প্রত্যেককে সতর্ক থাকতেও আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.