কলকাতা: ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে গিয়ে রীতিমতো লাইন দিয়ে নিজের হাতে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে হরিশ মুখার্জি রোডের জয়হিন্দ ভবনে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে লাইনে দাঁড়িয়ে না, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে লাইনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত টেবিলের সামনে গিয়ে নিজের ছবি তুলিয়ে, বায়োমেট্রিক পাঞ্চ করে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড হাতে নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন – দেশ জুড়ে ফের লকডাউন, ঘোষণা করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া ছিলেন রাজ্যের পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা,পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কার্ড তোলা হয়ে গেলে লাইনে তারপরে দাঁড়ানো ব্যক্তিদেরকেও তিনি নিজের হাতে কার্ড তুলে দেন।

নিজে লাইনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী যেন এই বার্তাই দিলেন , যে কেউ নিয়মের ঊর্দ্ধে নন। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের এই জনদরদি মুখই যে তাঁর অন্যতম ইউএসপি তা মানেন সকল রাজনীতিবিদরাই।

উল্লেখ্য, সরকারি রিপোর্ট অনুসারে রাজ্যের প্রায় সাড়ে সাত কোটিরও বেশি মানুষ এই স্বাস্থ্যসাথী পরিষেবার আওতায় এসেছেন। এই কার্ড পেলে আর হাসপাতালে নগদ টাকার প্রয়োজন পড়বে না পরিষেবা গ্রহণকারীদের। পরিবারকে বছরে পাঁচ লক্ষ টাকার বিমার আওতায় আনা হয়েছে এই প্রকল্পের আওতায়।

আরও পড়ুন – BREAKING: আক্রান্ত আরও ১৬ হাজারের বেশি, মোট মৃত প্রায় দেড় লক্ষ

রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় ক্যাম্প করে এই প্রকল্পের কাজ করে চলেছে সরকার। নির্দিষ্ট দিনে এলাকা ভিত্তিক মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে এই কার্ড। এরফলে রাজ্যের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে কেউ যদি মনে করেন লাইনে না দাঁড়িয়ে, সরকারি ক্যাম্পে গিয়ে এই কার্ড নিতে পারবেন না, সেক্ষেত্রেও বিকল্প অপশন রয়েছে। অনলাইনেও ফর্ম ফিলাপ করে এই কার্ড পাওয়া যায়। অনলাইনে আবেদনকারীকে নিজের ও পরিবারের সব তথ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন পূরণ করতে হয়। WB swasthya sathi yojana @ swasthyasathi .Gov. in অনলাইনে এখানে গিয়ে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। এরপর স্বাস্থ্যসাথী মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করতে হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।