স্টাফ রিপোর্টার, ডোমজুড়: ১০ এপ্রিল, শনিবার ডোমজুড় বিধানসভায় ভোট৷ তার আগে শেষ মুহূর্তের প্রচারে গিয়ে একসময়ের সৈনিক, এখানকার বিজেপি প্রার্থী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ডোমজুড়বাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বললেন, ডোমজুড়ে গদ্দার-মিরজাফরকে মনোনয়ন দিয়েছিলাম৷ ওকে আমি চিনতে ভুল করেছিলাম৷ অনেক টাকা মেরে দিয়েছে৷ আমি ভুল করে ওকে বিশ্বাস করেছিলাম ৷ আমাকে ক্ষমা করে দেবেন৷ গদ্দারটার জামানত বাজেয়াপ্ত করে দিন৷

২০১১ এবং ২০১৬ সালে এই কেন্দ্র থেকেই তৃণমূলের টিকিটে জিতে রাজ্যের মন্ত্রী হয়েছিলেন রাজীব। দলবদল হলেও তার পুরনো কেন্দ্রেই রাজীবকে দিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে এই কেন্দ্রে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী কল্যাণ ঘোষ৷ এদিন ডোমজুড়ে মমতা বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, “এখানে ২৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে। ডোমজুড়ের ছেলে মেয়েদের বাইরে যাওয়ার দরকার নেই। এখানে ১৯টি প্রকল্পের সূচনা করেছি। ৭২ কোটি টাকার বিনিয়োগ। হাওড়ায় বিপুল শিল্প বিনিয়োগ হচ্ছে। আরও ১২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে।” এরপরই রাজীবকে আক্রমণ করে বলেন, “একটা গদ্দারকে আগের বার এখানে মনোনয়ন দিয়েছিলাম। মানুষের টাকা মেরেছে। শেষ আমায় বলেছিল, কারিগরি দফতর দিতে। তাহলে টাকা চুরি করতে পারত। জিজ্ঞাসা করুন, কত সম্পত্তি করেছে। আগে জানলে অনেক আগে সরিয়ে দিতাম। ভেবেছিলাম, ফর্সা, লম্বা ছেলেটা ভাল, কিন্তু দেখলাম অন্যরকম।”

উল্লেখ্য, বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিধানসভা ভবন ছাড়ার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশাল ছবি হাতে করে নিয়ে বেরিয়েছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছিলেন, দলনেত্রী মমতা তাঁর কাছে মায়ের মতো। সেই মায়ের কোনও অবমাননা তিনি করতে পারবেন না। কিন্তু তারপরই দেখা গিয়েছিল, মমতাকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন তিনি৷ এদিন ডোমজুড়ের মাটিতেই তার জবাব দিলেন মমতা৷

এদিকে, বুধবার কোচবিহারে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তাঁর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন। হুগলির তারকেশ্বরে গত ৩ এপ্রিল মমতা বিধিভাঙা মন্তব্য করেছেন বলে কমিশন ওই চিঠিতে জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার মমতা যদিও কমিশনের বিরুদ্ধে পাল্টা পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করার অভিযোগ তুলেছেন। ডোমজুড়ের সেই সভা থেকে মমতা বলেন, ‘‘আমাকে ১০ বার শো-কজ করেও লাভ নেই। একই জবাব দেব।’’ তবে এদিন কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সুর নরম করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বললেন,  “জওয়ানদের কোনও দোষ নেই।” তাঁর অভিযোগ, “কেন্দ্র তথা বিজেপি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নির্দেশ দিচ্ছে প্রচারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর স্থানীয়দের ভয় দেখাতে। তাই বাধ্য হয়ে অনেককিছু করতে হচ্ছে তাঁদের।” এদিন তিনি বলেন, “কোথাও কোনও অশান্তি হলে সরাসরি থানায় যান। অভিযোগ দায়ের করুন। কেউ যদি বলে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি আছে। তবে জানবেন ওটা মিথ্যে কথা। শুধুমাত্র বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি থাকে। আর কোথাও নয়।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।