গলসি: পঞ্চমদফা ভোটের দিনেও প্রচার ঘিরে সরগরম রাজ্য। এদিন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা করলেন পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। এদিন সভার শুরুতেই করোনা নিয়ে মোদীকে তীব্র অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বক্তব্য, ‘ভাষণ দিয়ে বেড়ালেও ভ্যাকসিন দেননি মোদী’। প্রতি দফার দিন মোদী বাংলায় আসেন বলেও তীব্র কটাক্ষ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

মোদীকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলেও তোপ দাগেন মমতা। এদিন শীতলকুচির ঘটনা নিয়েও মুখ খোলেন মমতা। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি করেও সরব হোন তৃণমূল নেত্রী। মোদী প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারের অবমাননা করছে বলেও অভিযোগ করেন মমতা। এছাড়া ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’কেও তীব্র কটাক্ষ করেন তৃণমূল নেত্রী।

জুন মাসের পর ফের বিনা পয়সায় রেশন দেওয়া হবে, বাড়িতে বাড়িতে রেশন পৌঁছে দেওয়া হবে বলে এদিন প্রতিশ্রুতি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্পে চাষিদের প্রাপ্ত টাকার পরিমাণ বাড়ানো হবে বলেও জানান মমতা। ভোটে জিতলে মহিলাদের ‘হাত খরচ’ এর টাকা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এছাড়া ছাত্রছাত্রীদের বিদেশে পড়াশোনার জন্য এডুকেশন লোনের কথাও বলেন মমতা।

আরও খবর পড়ুন – শীতলকুচিকাণ্ডে মমতার অডিও টেপ নিয়ে বিজেপি-তৃণমূল কাজিয়া তুঙ্গে

মমতা বলেন, পাঁচ-ছয় মাস কোভিড ছিল না, তখন যদি ইঞ্জেকশন দিয়ে দেওয়া হত তাহলে এই প্যানডামিক এতটা ছড়াত না। মমতা অভিযোগ করে বলেন, বাইরে থেকে লোক নিয়ে আসা হচ্ছে, তাঁদের থেকে বাংলায় কোভিড ছড়াচ্ছে।

এদিন ইলেকশন কমিশনের বিরুদ্ধেও সরব হোন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাকি তিনটি দফা কেন একটি দফায় হল না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এছাড়া ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এই ঘটনায় তদন্ত ভার সিআইডি’র হাতে দেওয়া হবে। কেন্দ্রের বেসরকারিকরণ নিয়েও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা। ‘রাজনীতির খেলা হবে’ বলে দাবি করেন মমতা।

ভোট মেশিন খারাপ থাকলেও সবাই যাতে নিজের ভোট নিজে দেয় কথা স্মরণ করিয়ে দেন মমতা। তিনি বলেন , “একটা একটা করে গোল দেব আমরা বিজেপিকে, আর মাঠের বাইরে বার করে দেব।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.