কলকাতা: সোমবার একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “হিন্দুদের মধ্যে যেমন বিচ্ছিন্নতাবাদ রয়েছে, তেমনই সংখ্যালঘুদের মধ্যেও বিচ্ছিন্নতাবাদী রয়েছে।” সঙ্গে তিনি যোগ করেন, “এরা বিজেপির থেকে টাকা নিয়েছে, তারা হায়দরাবাদের দল, পশ্চিমবঙ্গের নয়”।

সংখ্যালঘুদের চরমপন্থা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করলেন ওয়াইসির দলের নেতা ও এআইএমআইএম রাজ্য সভাপতি জামিরুল হাসান। তিনি দাবি করেন, এই রাজ্যে মজবুত হয়ে উঠছে এআইএমআইএম, যার জন্যেই মেজাজ হারাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। “কারণ তাঁর রাজনীতি সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংককে ঘিরেই আবর্তিত হয়”বিস্ফোরক দাবি করেন এআইএমআইএম রাজ্য সভাপতি।

পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, গত লোকসভা ভোটেও নাকি প্রার্থী দিতে প্রস্তুত ছিল এআইএমআইএম । তৃণমূল প্রার্থীরা সংখ্যালঘু অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে হেরে যেতে পারেন বলেই নাকি আসাউদ্দিন ওয়াইসি রাজ্য থেকে প্রার্থী দিতে বারণ করেছিলেন, এমনটাই জানান জামিরুল হাসান।

আরও পড়ুন – ৩৭০ ধারার পর এবার বড় পদক্ষেপ নিল পাকিস্তান

সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে এইআইএমআইএমের জনপ্রিয়তা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাবি করে এআইএমআইএম রাজ্য সভাপতি বলেন, এই জনপ্রিয়তার কারণেই মেজাজ হারাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অন্যদিকে হায়দরাবাদের সাংসদ আসাউদ্দিন ওয়াইসি বলেন, যেহেতু রাজ্যে মুসলিমদের মধ্যে মানবতার সূচক কম, সেই কারণে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি মুসলিমদের নীচু নজরে দেখছেন।

সব মিলিয়ে রাজ্যে ফের একবার ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানোতর। ধর্মীয় মেরুকরণ আরও তীব্র হলে ভোট কাটাকুটি কোনদিকে মোড় নিতে পারে তাই ভাবছেন রাজনীতিবিদরা।

“মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটব্যাঙ্ক হারানোর ভয়ে রেগে যাচ্ছেন” বিস্ফোরক ওয়াইসির দলের নেতা