কলকাতা: রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করেছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়৷ শুক্রবার রাজভবনে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করেন৷ বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের মুকুল বলেন, বৃহস্পতিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন রাজ্যপাল প্রবেশ করেন তখন তিনি একা ছিলেন৷ তাঁর সঙ্গে ছিলেন না কলকাতার পুলিশ কমিশনার, রাজ্য পুলিশের ডিজি, স্থানীয় ডিসি, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বা একজন কনস্টেবলও ছিলেন না৷ রাজ্যপাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে উদ্ধার করেন৷ তার গাড়িও ঘেরাও করে রাখা হয়৷ এই পরিস্থিতি দেখেই বোঝা গিয়েছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী পর্যায়ে৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ করা উচিত৷ সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়েরও পদত্যাগ করা উচিত৷

মুকুল প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যে পুলিশ স্টেট চলছে৷ বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি (অনুব্রত মণ্ডল) জেলার এসপিকে চাকরে পরিণত করেছে৷ বীরভূম থেকে বিজেপির নির্দোষ কার্যকরতাকে গ্রেফতার করছে পুলিশ৷ কিন্তু এদিকে সারা রাজ্যেই অভিযুক্তরা ঘুরে বেরাচ্ছে৷ মুকুল রায় এদিন রাজ্যপালকে অভিযুক্তদের তালিকা দিয়েছেন৷ মুকুলরে বক্তব্য, পুলিশ সাধারণ জনতার উপর তৃণমূলের নির্দেশে অত্যাচার শুরু করেছে৷ কিন্তু আর তো ১৪ মাস৷ তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার আর ফিরছে না৷ পুলিশকে বলব, ঘারের কাছে ‘সত্যমেব জয়তে’ লেখা রয়েছে৷ নিরপেক্ষ আচরণ করুন৷

মুকুল বলেন, বৃহস্পতিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগতরা প্রবেশ করেছিল৷ দেবাঞ্জন চ্যাটার্জি নামে এক যুবক মন্ত্রীকে মেরেছে৷ সংবাদমাধ্যমে ছবিও বেরিয়েছে৷ তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ নন৷ উপাচার্য সুরঞ্জন দাসকে জবাব দিতে হবে তিনি পুলিশ ডাকেননি, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বহিরাগত ঢুকলো কী করে৷ মুকুল বলেন, যদি এবিভিবি-এর কোনও সদস্য বিশ্ববিদ্যালয় ভাঙচূরে যুক্ত থাকে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হোক৷