ফাইল ছবি

কলকাতা: নারী দিবসের দিনে কলকাতার রাস্তায় পদযাত্রায় পা মেলাবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্তর্জাতিক নারী দিবসেও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ইস্যুতে রাস্তা থেকেই কেন্দ্রকে টার্গেট করবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের তরফে আয়োজিত এই মিছিলের পুরোভাগে নেতৃত্ব দেবেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু হবে পদযাত্রা। শেষ হবে ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে গিয়ে। মনে করা হচ্ছে, এদিন আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই পদযাত্রা আয়োজিত হলেও এখান থেকে বা পদযাত্রার শেষে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুতে মোদী সরকারকে আক্রমণ শানাবেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

মহিলাদের জন্য রাজ্য সরকার কী কী করেছে, তার বিবরণী ভোটের আগে মানুষের সামনে আনছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। স্ব-নির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে মহিলাদের স্বাবলম্বী করা হোক বা কন্যাশ্রী-রূপশ্রীর মতো আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতপ্রাপ্ত প্রকল্পের কথাও তুলে আনছে তৃণমূল কংগ্রেস। এছাড়া স্বাস্থ্যসাথী কার্ড যে মহিলাদের নামে করা হচ্ছে, তাও মনে করিয়ে দিচ্ছেন ঘাসফুল শিবিরের লোকজন।

কেন্দ্রের তরফে বারেবারে বঙ্গে ভোট প্রচারে এসে মহিলাদের নিরাপত্তা নেই বলে সরব হয়েছেন বিজেপির একাধিক নেতারা। অন্যদিকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য , নুসরত সহ তৃণমূল কংগ্রেসের অন্য নেত্রীরা বলছেন, নিরাপদে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মহিলারা।

এর আগে রবিবারেও জ্বালানীর মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল করেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ দার্জিলিং মোড় থেকে ভেনাস মোড় পর্যন্ত মিছিল করেন তিনি। এরপর মোদীকে আক্রমণ শানিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, “আপনি সবথেকে বড় তোলাবাজ৷ রেল, এয়ার ইন্ডিয়া, কোল ইন্ডিয়া বিক্রি করলে কত তোলাবাজি হয়? উজ্জ্বলা যোজনায় দূর্নীতি হয়েছে। সারা ভারত একটি সিন্ডিকেটের কথা জানে, মোদী-শাহ সিন্ডিকেট৷” তাঁর আরও সংযোজন, “রোজ রোজ প্রধানমন্ত্রীর মিথ্যে কথা মানুষ শুনবে। আগের বার নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ১৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে, দিয়েছিল? দেয়নি।”

পাশাপাশি অভিযোগ করে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বাংলায় কুৎসা করতে আসেন। প্রধানমন্ত্রী বাংলায় প্রচার করার আগে জবাব দিন কেন রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েছে, কেন তেলের দাম বাড়ছে৷”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.