স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিলিট সম্মান পাওয়ার পর নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সাক্ষাৎ পর্ব শেষে সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, ‘রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পের কথা শুনছি। সুযোগ হলে নিশ্চয় এবিষয়ে কাজকর্ম করতে চাইব।’

রাজ্যের হয়ে তিনি কাজ করতে চান৷ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে একথা শোনার পর সাংবাদিকরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, কবে থেকে কাজ শুরু করবেন? সেই প্রশ্নের উত্তরে অবশ্য অভিজিৎ স্পষ্টতই জানিয়েছেন, ‘কিছু শুনেই কোনও কাজ আমি করতে পারি না। যা শুনলাম, সেগুলো নিয়ে আগে পড়াশোনা করি। তারপর যা ভাবার ভাবব, কিন্তু সঙ্গেসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়া আমার স্বভাববিরুদ্ধ।’ এরপরই সিএএ নিয়ে প্রশ্ন ধেয়ে আসে তাঁর দিকে। কিন্তু সেই প্রশ্নের কোনও উত্তরই তিনি না দিয়ে নবান্ন ছাড়েন। উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে সংবর্ধনাও দেওয়া হয়। কলকাতা পুরসভার আর্কাইভে তাঁর ছবিও স্থান পেয়েছে।

এদিন নবান্নে অভিজিতের সঙ্গে গিয়েছিলেন মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। অভিজিৎ নোবেল পাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেচ্ছা জানাতে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন ৷ অভিজিতের মা নির্মলাদেবীর সঙ্গে দেখা করে তাঁর হাতে ফুলের তোড়া ও মিষ্টি তুলে দেন ৷ তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ সেইসময় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রশংসাও করেছিলেন অভিজিতের মা নির্মলা দেবী। তিনিও অর্থনীতিবিদ। একসময় অধ্যাপনা করতেন নির্মলা দেবী। অভিজিতের বাড়িতে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী সেদিনই বলেছিলেন, কৃষি, ও গ্রামীণ ক্ষেত্রে নির্মলা দেবীকে রাজ্য সরকার কাজে লাগাতে চায় বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।তারপর থেকেই নির্মলাদেবীর সঙ্গে সুসম্পর্ক মুখ্যমন্ত্রীর৷