স্টাফ রিপোর্টার, শিলিগুড়ি: জ্বালানীর মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ দার্জিলিং মোড় থেকে ভেনাস মোড় পর্যন্ত মিছিল৷ এদিন পদযাত্রায় প্ল্যাকার্ড, কাট আউটের ছত্রে ছত্রে ছিল কেন্দ্রকে আক্রমণের হাতিয়ার। পদযাত্রায় গ্যাস সিলিন্ডারের কাট আউটে লেখা, ‘দেখো আমি বাড়ছি মাম্মি’।

এদিন পদযাত্রার পর সফদর হাসমি চকে জনসভা করেন মমতা৷ সেখানে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বাংলায় কুৎসা করতে আসেন। প্রধানমন্ত্রী বাংলায় প্রচার করার আগে জবাব দিন কেন রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েছে, কেন তেলের দাম বাড়ছে৷” তিনি আরও বলেন, “সারা পৃথিবীতে তেলের দাম কমলেও এখন দেশে তেলের দাম আকাশ ছোঁয়া। কেন ৯০০ টাকায় গ্যাস কিনতে হচ্ছে?  লোকসভা ভোটে উত্তরবঙ্গে এত আসন পেয়েছিল বিজেপি, তারপর কী করেছে কেন্দ্রীয় সরকার?”

এরপর মোদীকে আক্রমণ শানিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, “আপনি সবথেকে বড় তোলাবাজ৷ রেল, এয়ার ইন্ডিয়া, কোল ইন্ডিয়া বিক্রি করলে কত তোলাবাজি হয়? উজ্জ্বলা যোজনায় দূর্নীতি হয়েছে। সারা ভারত একটি সিন্ডিকেটের কথা জানে, মোদী-শাহ সিন্ডিকেট৷” তাঁর আরও সংযোজন, “রোজ রোজ প্রধানমন্ত্রীর মিথ্যে কথা মানুষ শুনবে। আগের বার নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ১৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে, দিয়েছিল? দেয়নি।”

এদিন নরেন্দ্র মোদীও ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে মমতাকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন৷ পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ই-স্কুটি চেপে মমতার নবান্ন যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে মোদী বলেছেন, ‘‘কিছু দিন আগে স্কুটি সামলাচ্ছিলেন দিদি। সবাই ভয় পাচ্ছিলেন, আপনি পড়ে গিয়ে আঘাত না পান। ভাগ্যিস পড়ে যাননি। নইলে যে রাজ্যে স্কুটি তৈরি হয়েছে, সেই রাজ্যকেই শত্রুতা বানিয়ে ফেলতেন। তাই ভাল হয়েছে পড়ে যাননি। কিন্তু ভবানীপুর যেতে যেতে নন্দীগ্রামের দিকে ঘুরে কী করে ঘুরে গেল স্কুটি? আমি চাই না আপনি পড়ে গিয়ে আঘাত পান। কিন্তু স্কুটি যখন নন্দীগ্রামেই গিয়ে পড়েছে, তখন আমরা আর কী করব।‘‘

এদিন মোদীকে আক্রমণ করলেও মিঠুন চক্রবর্তী সম্পর্কে একটাও শব্দ বলেননি মমতা৷ উল্লেখ্য, তৃণমূলের  নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যসভার সাংসদ করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তীকে। রবিবার সেই মিঠুনই ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে দাঁড়িয়ে গদগদ কণ্ঠে বললেন, মোদীর সঙ্গে এক মঞ্চে থাকাটা তাঁর কাছে স্বপ্নের মতো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.