জলপাইগুড়ি: রাজ্যে প্রচারে এসে একাধিকবার বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কোচবিহারের জনসভায় এসে সারদা-নারদা নিয়ে মমতাকে আক্রমণ করেন তিনি। আর তার ঠিক পরই প্রচার মঞ্চ থেকে একই দুর্নীতি নিয়ে মোদীকে জবাব দেন মমতা।

একদিকে যখন সারদা-নারদা কিংবা রোজভ্যালির মত কেলেঙ্কারি নিয়ে সরব নরেন্দ্র মোদী। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করিয়ে দিলেন সেই কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত নেতাই এখন গেরুয়া শিবিরের হর্তা-কর্তা।

এদিন মোদী বলেন, মা সারদাকে গোটা দেশ পূজা করে। আর দিদি বাংলায় কেলেঙ্কারির নামে সারদা মায়ের নাম বদনাম করেছেন। একইসঙ্গে রোজভ্যালির কথাও শোনা যায় তাঁর মুখে। বলেন, ‘রোজ’ বললে ফুলের নাম মনে পড়ে। আর বাংলার গরীব মানুষদের রোজ বললেই কাঁটার কথা মনে পড়ে যায়। বাদ দেননি নারদাও। বলেন, ‘নারদ মুনি তিন লোকে নারায়ণের নাম জপ করতেন’, আর বাংলায় তাঁর নামেও দুর্নীতি হল।

মোদীর এই কড়া আক্রমণের কয়েক ঘণ্টা পরই উত্তরবঙ্গের এক সভা থেকে জবাব দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করে মুকুল রায়ের কথা বলে কটাক্ষ করেন তিনি। বলেন, ‘সারদা নারদার কমরেডকে নিয়ে পাশে মিটিং করছেন, লজ্জা করে না? আপনি অভিযুক্তদের নিয়ে মিটিং করেন।’

গত ৩ এপ্রিল শিলিগুড়ির সভাতেই বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল। রাজ্য বিজেপিতে মুকুল রায়ের কোনও পদ না থাকলেও তাঁর কাঁধে দায়িত্ব অনেকটাই। তাঁর হাত ধরে সম্প্রতি অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, প্রার্থীও হয়েছেন। তাই সেকথা মনে করিয়ে দিয়ে মমতা বলেন, ‘যে লোকটা আপনার মিটিং কন্ট্রোল করছে সে সারদা-নারদায় অভিযুক্ত। আপনার নেতা সারদা-নারদার নেতা। সারদা-নারদা র দুটো কেসই আছে তার বিরুদ্ধে।

বিজেপিকে চোর-জোচ্চরের পার্টি বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘তৃণমূল না খেতে পেলেও লোকের টাকা নেয় না।’

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I