কলকাতা: জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বৈঠকের পরই সোজা ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সে ছুটে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এনআরএস কাণ্ডে গুরুতর আহত জুনিয়র ডাক্তার পরিবহ মুখোপাধ্যায়কে দেখতেই সেখানে ছুটে গিয়েছেন তিনি। এদিন জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে বলে আগেই জানিয়েছেন তিনি।

এদিনের বৈঠকে পরিবহকে দেখতে যাওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

এর আগে গত শনিবার তাঁর পরিবহকে দেখতে যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেই খবর অনুযায়ী, নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় গোটা হাসপাতাল চত্বর। পৌনে দুটো নাগাদ মুখ্যমন্ত্রীর বেরনোর কথা ছিল কালীঘাটের বাড়ি থেকে। আর সেখান থেকেই মল্লিকবাজারের নিউরোসাইন্সে যাওয়ার কথা ছিল মমতার।

কিন্তু ওইদিনই এনআরএসে জিবি বৈঠক শেষে আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দেন, নবান্নে গিয়ে তাঁদের কোনও প্রতিনিধি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসবেন না। এর পরেই জানা যায়, মুখ্যমন্ত্রী সোজা নবান্নেই যাবেন। তার আগেই নবান্নে ডেকে পাঠানো হয় স্বাস্থ্যসচিব রাজীব সিংহকে। অর্থাৎ, কিন্তু শেষমেস সিদ্ধান্ত বদল করে পরিবহকে দেখতে যাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিনের বৈঠকে এক জনিয়র ডাক্তার বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে তবু আপনি হাসপাতালে এলেন না৷ এটায় আমরা দুঃখ পেয়েছি৷’ মুখ্যমন্ত্রী জবাব দেন, ‘আমি নিশ্চই যেতাম৷ কিন্তু, প্রথম দিনই আমি কথা বলতে চেয়েছিলম৷ তোমাদের মধ্যে কেউ কথা বলতে চায়নি৷ আমি স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, পুলি কমিশনার ও সরকারি আধিকারিকদের পাঠিয়ে সমাধানের চেষ্টা করেছিলাম৷ এরই মধ্যে কেউ কেউ ভুল বোঝাচ্ছেও৷ যাই হোক, ওসব ছেড়ে দাও৷ তোমরা ভালো ছেলে-মেয়ে৷ আমি চাই সবাই ভোলে করে কাজ করুক৷ আমার নজর রয়েছে সবদিকে৷ পরিবহও সুস্থ্য হয়ে উঠুক৷ আমি সময় সুযোগ মতো সব হাসপাতলেই যাব৷’’