দিঘা: পূর্ব ঘোষনা অনুসারেই সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ হেলিকপ্টারে করে দিঘা পৌঁছান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিঘার সৈকাতাবাসে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে সোজা চলে জান দিঘা মৈত্রাপুরে মৎস্যজীবীদের পাড়ায়। এলাকার মানুষের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সঙ্গে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ শিশির অধিকারী, দিব্যেন্দু অধিকারী, বিধায়ক অখিল গিরি, জেলাশাসক পার্থ ঘোষ সহ নেতারা। তাঁদের সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সোজা চলে যান স্থানীয় পদিমা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মৈত্রাপুর গ্রামে। সেখানে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য শুভেন্দু সিংয়ের বাড়িতে বসে জন দরবার করেন তিনি।

আধঘন্টা সময় ধরে তিনি কথা বলেন মৎস্যজীবীদের সঙ্গে। মহিলা মৎস্যজীবীরা চা খাওয়ান মুখ্যমন্ত্রীকে। চা খেতে খেতেই মমতা শুনে নেন তাঁদের অভাব-অভিযোগের কথা। মুখ্যমন্ত্রী সব ধরনের উন্নয়নের বার্তা দিয়ে আশ্বস্ত করেন তাঁদের। মুখ্যমন্ত্রীর এই আচমকা আগমনে স্বভাবত খুশি মৎস্যজীবীরা। শিশুদের ডেকে নাম জিজ্ঞেস করেন মমতা।

মহিলা মৎস্যজীবী গৌরি সিং বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে আগে কোনওদিন এত কাছ থেকে দেখিনি।আমার স্বামী অসুস্থ্য।পঙ্গু হয়ে গেছেন।তিনজন মেয়ে।অভাবের সংসার।মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছি সব কথা।তিনিও আশ্বস্ত করেছেন আমাদের।” অপর মহিলা মৎস্যজীবী আরতি সিং বলেন,” মুখ্যমন্ত্রী আমাদের অভাবের কথা শুনেছেন।আশ্বাস দিয়েছেন উন্নয়ন করার।” শুধুই অভাব-অভিযোগ শোনাই নয়, এদিন কার্যত স্থানীয়দের ভিড়ে মিশে যান মুখ্যমন্ত্রী। চকোলেট আনিয়ে বিতরণ করেন স্থানীয় কচিকাঁচাদের মধ্যে।

এদিনই একই ছবি দেখা যায় হাওড়াতেও। সেখানেও বস্তিতে ঢুকে গিয়ে সমস্যার কথা নিজে শুনে আসেন মমতা।