স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: খুব শীঘ্রই বাংলার কর্মসংস্থানে জোয়ার আসতে চলেছে৷ বৃহস্পতিবার রাজারহাটে ভোটের প্রচারে এমনই বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷তিনি জানিয়েছেন, রাজারহাটের সিলিকন ভ্যালির জন্য আরও ১০০ একর জমি দিয়েছে রাজ্য সরকার৷ মোট ২০০ একর জমিতে গড়ে উঠবে আইটি হাব৷আর সেখানে প্রচুর ছেলেমেয়ের কর্মসংস্থান হবে৷

তথ্য প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ টানতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।আমেরিকার সিলিকন ভ্যালির ধাঁচে তথ্য-প্রযুক্তি হাব তৈরির কাজ চলছে রাজ্যে।অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র আগেই ঘোষণা করেছিলেন, চারটি বড় আইটি কোম্পানি- রিলায়েন্স জিও, টিসিএস, কেপ জেমিনি ও ফার্স্টসোর্স সলিউশন সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাজারহাট নিউটাউনের সিলিকন ভ্যালি হাবে তাদের ইউনিট খুলতে চেয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির জন্য যাবতীয় পরিকাঠামো থাকবে এখানে। হাব তৈরি হলে ৩০ দিনের ভিতর কাজ শুরু করতে পারবে যে কোনও সংস্থা।হাবে বিশেষ ছাড় পাবে শিল্প সংস্থাগুলি। স্টার্ট আপদের জন্য জায়গা বরাদ্দ থাকবে। এই হাবের মাধ্যমে লগ্নির পাশাপাশি তৈরি হবে প্রচুর নতুন কর্মসংস্থান।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের অগস্ট মাসে, রাজার হাটে এই সিলিকন ভ্যালি হাবের শিলান্যাস করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তখনই তিনি জানিয়েছিলেন তাঁর স্বপ্ন,আমেরিকার পর কেউ যদি দ্বিতীয় কোনও সিলিকন ভ্যালির কথা বলে, তবে সেটা যেন হয় পশ্চিমবঙ্গ।

এদিন ফের সেকথা মনে করিয়ে মমতা বলেন, এই সিলিকর ভ্যালি তৈরি হলে এখানে যে পরিমান কর্মসংস্থান হবে সেটা আপনারা ভাবতেও পারছেন না৷সেইসঙ্গে তাঁর আশা, ২০০ কোটি খরচ করে বানানো রাজারহাটের ইকো ট্যুরিজম পার্ক বিশ্বের এক নম্বরে স্থানে জায়গা পাবে৷

বাংলায় শিল্পের করুণ অবস্থা নিয়ে বিরোধীদের লাগাতার তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে৷ রাজ্যের বেহাল কর্মসংস্থানকে ভোটের প্রচারের করছে ইস্যু করছে তারা৷ পর্যবেক্ষকদের মতে, পিঠ বাঁচাতেই রাজারহাটের নির্বাচনী প্রচারে সিলিকন ভ্যালির প্রকল্পটির প্রসঙ্গ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী৷