স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: এবার ছট পুজো ৩ নভেম্বর। সেদিন রবিবার হওয়ায় ৪ নভেম্বর, সোমবার রাজ্যে ছুটি ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন৷

চলতি বছরেই পুজোর ছুটি একদিন বাড়িয়ে দেওয়া হয় শেষ মুহূর্তে। ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর জন্য ছুটি ছিল। দুর্গা পুজোর ষষ্ঠী ছিল ৪ অক্টোবর। কিন্তু রাজ্যে ৩ অক্টোবরও ছুটি দিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এর ফলে পুজোর ছুটি শুরু হয়ে যায় ২ অক্টোবর থেকেই। টানা ১৪ দিন ছুটি পান সরকারি কর্মীরা৷ ১৪ দিন পুজোর ছুটি ঘোষণার পর কর্মীদের উদ্দেশ্যে তখনই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, অনেকেই ভাবছেন, কেন ছুটি বাড়ালাম? কারণ আমরা ভেবেছি, সরকারি কর্মীদেরও একটা পরিবার আছে, তাঁদেরও শখ আহ্লাদ আছে। তাঁরা যাতে ঘুরে আসতে পারে কোথাও থেকে তাই তাঁর এই ভাবনা। আমি হলপ করে বলতে পারি, আমাদের রা্জ্যের মতো ছুটি বা সুযোগ-সুবিধা কোথাও পাওয়া যায় না।

দুর্গাপুজোর ছুটির রেশ কাটতে না কাটতে ছটপুজোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী আলাদা একটা দিন ছুটি দেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি সরকারি কর্মীরা৷ উল্লেখ্য, পুজোর২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী নিজে উদ্যোগী হয়ে ছট পুজোর ছুটি চালু করেন। তার আগে বাম আমলে ছট পুজোতে কোনও ছুটি দেওয়া হত না। পরে ছট পুজোর ছুটিকে ‘সাধারণ ছুটি’ হিসেবে ঘোষণা করে রাজ্য সরকার। গত বছর ছট পুজোতে দুদিন ছুটি ছিল৷

তবে ছুটি বাড়ানো নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার মুখেও পড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, ছুটি দিলে সরকারী কর্মচারীরা খুশি হন এ কথা সত্যি । কিন্তু তাতে সরকারী কাজে ক্ষতি হয় এবং এর ফলে নানান অসুবিধায় পড়েন সাধারন মানুষ। যে কারণে রাজ্যে বন্‌ধ পালনের বিরোধিতা করে কর্মসংস্কৃতির কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী৷