তেহট্ট, নদিয়া, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ: নদিয়ার তেহট্টের জনসভা থেকে রাজ্যে করোনা বৃদ্ধির জন্য নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের ওপর দায় চাপালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিন বলেন, দিল্লি থেকে বহিরাগতরা এসে রাজ্যে করোনা ছড়াচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যে পরিষ্কার তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে রাজ্যে কারোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য দায়ী করছেন। এদিন কৃষ্ণনগর দক্ষিণের সভা থেকেও করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ্কেই দায়ী করেন। তিনি স্পষ্টভাষায় বলেন, “রাজ্যে করোনা বৃদ্ধির জন্য দায়ী নরেন্দ্র মোদী জবাব দাও।”

তবে এদিনের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করোনা নিয়ে বিজেপি শীর্ষনেতৃত্বকে দোষী করার পাশাপাশি তৃণমূল সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় এলে কী করবে তার হিসেবে দেন। প্রতিটি জনসভাতেই তিনি যে ভাবে প্রতিশ্রুতি দেন, এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবারের সভা থেকে বলেন রাজ্যে তৃতীয়বারের জন্য সরকার গড়লে তাঁর সরকার কী কাজ করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “২৫০ মাদ্রাসাকে সরকারি সহযোগিতা দেওয়া হবে । বছরে ৫ লক্ষ কর্মসংস্থান হবে। দ্বিগুণ শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। এর জন্য জোড়া ফুলে ভোটটা দিতে হবে। বিজেপি আসলে মানুষকে তাড়িয়ে দেবে। তাই শুধু ভোটটা তৃণমূলকে দিন।”

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “আমরা আবার ক্ষমতায় এলে মহিলাদের জন্য হাতখরচের ব্যবস্থা করবো। সাধারণ মহিলাদের জন্য মাসে ৫০০ টাকা করে আর এসসি/এসটি মহিলাদের জন্য মাসে ১০০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। এছাড়াও যারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে চায় কিন্তু অর্থাভাবে যেতে পারে না, যাদের বাবা, মায়েরা এডুকেশন লোন নিতে পারেন না, তেমন পড়ুয়াদের জন্য ১০ লক্ষ টাকার ক্রেডিট কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে। ৪% সুদের হারে এই টাকার জামিনদার থাকবে রাজ্য সরকার।”

তবে রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হওয়ার জন্য তৃণমূলের সভা করা বন্ধ হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রোজ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সভা করে চলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে সভা থেকে রাজ্যে করোনা বৃদ্ধির জন্য বিজেপি-র শীর্ষ নেতাদের দুষছেন, সেই সভায় সভার সব শ্রোতার মুখে মাস্ক ছিল না। এই দিক থেকে নজির সৃষ্টি করার মতো সিদ্ধান্ত নিয়ে সিপিএম সভা, রোড শো করা বন্ধ রেখেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.