Hospital Bill, ASHA, Kendrapara

রাবাত : একটা বাচ্চা মানুষ করতেই নাজেহাল দশা মা-বাবার। এই অবস্থায় প্রথম গর্ভাবস্থায় একসঙ্গে নয়টি বাচ্চা হলে কী অবস্থা হবে ভাবতে পারছেন ? আপনি ভাবতে না পারলেও এটাই সত্যি ঘটনা। একসঙ্গে নয়টি সন্তানের জন্ম (Nine New Born) দিয়ে সকলকে চমকে দিয়েছেন সদূর আফ্রিকার মরক্কোর(Morocco) বাসিন্দা হালিমা সিসিস(২৫)। আফ্রিকা মহাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম একসঙ্গে এতগুলো বাচ্চার জন্ম হল বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনায় আন্তর্জাতিক সংবাদ শিরোনামে জায়গা করে নিয়ে বাচ্চাগুলি ও তাদের মা উভয়েই সুস্থ আছেন বলে জানা গিয়েছে।

বছর ২৫ এর হালিমা সিসিস(Halima Cisse) গত এপ্রিল মাসে আফ্রিকার মরক্কোর একটি সরকারি হাসপাতালে একসঙ্গে নয়টি শিশুর জন্ম দেন৷ যাদের মধ্যে পাঁচটি কন্যা সন্তান এবং ৪ টি পুত্র সন্তান রয়েছে। সদ্যোজাতরা সকলেই ভালো আছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।

বুধবার একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা গিয়েছে, গত মার্চ মাসে হালিমার আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করতে গিয়ে ডাক্তার দেখেন, গর্ভে একসঙ্গে সাতটি সন্তান রয়েছে। মার্চের শেষে বা এপ্রিলের গোড়ায় প্রসব হওয়ার কথা ছিল তাঁর। সেইমত গত মাসেই সিজারিয়ান পদ্ধতিতে (C-section) সে একসঙ্গে নয়টি সন্তানের জন্ম দেন।

একসঙ্গে এতগুলো সন্তানের জন্ম দেওয়া এক কথায় বিরল ঘটনা। যা সাধারণত ৮ – ১০ বছরে একটা কী দুটো এমন ঘটনা ঘটে থাকে।

তবে মরক্কোর স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মুখপাত্র রচিড কুডারি জানিয়েছেন, গোটা আফ্রিকায় একসঙ্গে এতগুলি বাচ্চার জন্ম আগে কখনও হয়েছে কিনা তা তিনি মনে করতে পারছেন না। যদিও বাচচাগুলি এবং তার মা উভয়েই সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কিছু সপ্তাহ পর তাঁদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলেও জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১৯ সালে একসঙ্গে ছয় সন্তানের ( Six newborns)জন্ম দেন পোল্যান্ডের এক মহিলা (Poland Mother)। পোলান্ডে এই প্রথম কোনও মা একসঙ্গে ছয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। স্থানীয় শহর ক্রাকোবের ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে সিজারিয়ান পদ্ধতিতে জন্ম হয় ওই ছয় নবজাতকদের (6 newborns)।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.