ক্যানবেরা : প্রায় যুগান্তকারী আবিষ্কার। অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানাচ্ছেন মানব শরীরে উৎপাদন হওয়া কিছু জমাটবদ্ধ এনজাইম বা উৎসেচক সারাতে পারে করোনা।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন ম্যালেরিয়া প্যারাসাইট এই উৎসেচক তৈরি করতে পারে। এই উৎসেচক সক্রিয় থাকতে পারে ক্যান্সারাস সেল বা কোষগুলিতেও। এই সূত্রের ওপর ভিত্তি করেই বিজ্ঞানীরা আশার আলো দেখছেন। এই উৎসেচক ব্যবহার করে করোনা সারানো যাবে কিনা, এখন সেই গবেষণা চলছে।

তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন করোনা ও ম্যালেরিয়ার মধ্যে কোনও একটা সংযোগের জন্য এই দুটি রোগের ওষুধ পারস্পরিক ভিত্তিতে কাজ করতে পারে। মেলবোর্ণ থেকে আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জ্যাক অ্যাডারেলিই প্রথম ব্যক্তি যিনি ম্যালেরিয়া প্যারাসাইটের তৈরি উৎসেচক করোনা সারাতে পারে, এমন ধারণার কথা বলেন। জ্যাক জানান যদি এই ধারণা সফল হয়, তবে করোনা নিয়ে গবেষণা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে। নতুন দিক পাবে এই গবেষণা।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল আপাতত পিটার ডরেথি ইন্সটিটিউট ফর ইনফেকশন অ্যান্ড ইমিউনিটির গবেষকদের সঙ্গে কাজ করছেন এই বিষয়ের ওপর। পিটার ডরেথি ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক জুলিয়ান ড্রুস কোভিড-১৯-এর প্রথম পর্যায়ের গবেষণার সময় কাজ করেছেন। তিনিও এই দলে রয়েছেন।

নেচার পত্রিকায় তাঁদের রিসার্চ প্রকাশিত হচ্ছে। এর আগেও, বিশ্বের বহু চিকিৎসক করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার ওষুধ দেওয়ার অনুমতি দেন। এই অসুখের চিকিৎসায় অ্যান্টিভাইরাল এর পাশাপাশি ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রোক্সিজিন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ক্লোরোকুইন নামের ওষুধটি নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করা হলে ভালো ফল মেলে। এই ক্লোরোকুইন করোনাভাইরাস রুখতে কাজ করবে বলে জানায় মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ সংস্থা (এফডিএ)। তবে আগেই সাংবাদিক সম্মেলনে করোনা ভাইরাসের চিকিৎসার জন্য ক্লোরোকুইন এবং রিমাদেসিভি (ইবোলা ও মারবার্গ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ব্যবহৃত) নামের ওষুধের নাম উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও