মালদহ: এনআরসি নিয়ে আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে। আধার কার্ড সংশোধনের হিড়িক মালদহে। প্রবল ভিড়ে ধাক্কাধাক্কির জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বেশ কয়েকজন। এলাকায় উপস্থিত হাতেগোনা পুলিশে পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম দশা। পরে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্বাসেও ভরসা নেই। মালদহে আধার কার্ড সংশোধন করার হিড়িক। আর এই কাজ করতে গিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা মালদহ জেলা মুখ্য ডাকঘর চত্বরে। প্রবল ভিড়ের চাপে অসুস্থও হয়ে পড়েন বেশ কয়েকজন। আগে থেকেই পোস্টঅফিস চত্বরে মোতায়েন রাখা হয়েছিল হাতেগোনা কয়েকজন পুলিশকর্মীকে। কিন্তু প্রবল ভিড় সামলাতে কার্যত হিমশিম দশা হয় ওই পুলিশকর্মীদের।

আধার কার্ড সংশোধনের জন্য কয়েক হাজার মানুষ ভিড় করেছিলেন মালদহ প্রধান পোস্ট অফিস চত্বরে। মালদহ শহরাঞ্চলের বেশ কিছু বাসিন্দাদের পাশাপাশি মূলত জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে কয়েক হাজার মানুষ এসে জড়ো হন পোস্ট অফিস চত্বরে। প্রত্যেকেই আধার কার্ডে নাম ও ঠিকানা সংশোধনের কাজে এসেছিলেন। ভিড়ের মধ্যেই ছিলেন বেশ কিছু প্রবীণ নাগরিক ও শিশু। মূলত এনআরসি নিয়ে প্রবল আতঙ্কের জেরেই এই তৎপরতা সাধারণ মানুষের। ভিটেমাটি ছাড়া হওয়ার ভয়ে আগেভাগেই সংশোধন করে নিতে চান নিজেদের পরিচয়পত্রটি।

মালদহ পোস্ট অফিসে আধার কার্ড সংশোধনের জন্য নাম নথিভুক্ত করার কাজ শুরু হতেই শুরু গন্ডগোল। কে আগে লাইনে দাঁড়িয়েছএন তা নিয়েই শুরু বাকবিতণ্ডা। এরই মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কিছু ব্যক্তি পোস্ট অফিসের গেট ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে নাজেহাল অবস্থা হয় পুলিশের। পুলিশের সঙ্গেই তুমুল ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় লাইনে দাঁড়ানো বেশ কয়েকজনের। ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গিয়ে অসুস্থ হন কয়েকজন জন প্রবীণ নাগরিক। বেশ কয়েকজন মহিলাও অল্পবিস্তর চোট পেয়েছেন।

এদিকে, মালদহ পোস্ট অফিস চত্বরে গন্ডগোলের খবর পেয়ে এলাকায় যায় ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই এলাকায় যায় বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশি হস্তক্ষেপে এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I