মালদহ: ঠিকা শ্রমিক নিয়োগে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি চন্দনা সরকারের স্বামী পরিতোষ সরকারের বিরুদ্ধে৷ এই ঘটনার প্রতিবাদ করায় সহকারী সভাধিপতির স্বামীর অনুগামীরা প্রতিবন্ধী এক শ্রমিককে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ।

শুধু তাই নয় বৈষ্ণবনগর থানায় অভিযোগের পরেও পুলিশের ভূমিকা নিষ্ক্রিয়। ফলে অভিযুক্তরা অভিযোগকারীদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। তাই আক্রান্ত প্রতিবন্ধী শ্রমিক পরিবার নিয়ে গোপন আস্তানায় লুকিয়ে রয়েছে। পুরো ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সহকারী সভাধিপতির স্বামী জানান ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোন যোগ নেই। এমন ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তারা কংগ্রেস দল বা অন্য দলের সদস্য। ঘটনা ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য রয়েছে।

জানা গিয়েছে, আক্রান্ত শ্রমিকের নাম পিন্টু হালদার। দ্বিতীয় ফরাক্কা ব্রিজ তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কাজও শুরু হয়েছে। সেই নির্মাণ কাজে শ্রমিকরা কাটমানি দিয়ে কাজ পাচ্ছেন এমনটাই অভিযোগ। আর এই কাটমানি তোলার অনুমতি দিয়েছেন মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি চন্দনা সরকারের স্বামী পরিতোষ সরকার।

শ্রমিকদের অভিযোগ, এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে কাজ হারাতে হয়। কেবল তাই নয় অনেক সময় মারধরও করা হয়। প্রতিবন্ধী শ্রমিক রাজু হালদার প্রতিবাদ করায় তাকে বেধড়ক মারধর করে সহকারী সভাধিপতির স্বামীর অনুগামীরা। সহকারী সভাধিপতির অনুগামীদের দাপট এতটাই বেশি যে অভিযোগের পরও নিষ্ক্রিয় বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ আধিকারিকেরা। ঘটনার কোন তদন্ত করেননি তারা। ফলে অভিযুক্ত পরিতোষ সরকার ও তার দলবল অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

ঘটনাটি সত্যতা স্বীকার করে নেয় সহকারী সভাধিপতির স্বামী পরিতোষ সরকার৷ তিনি জানান, তৃণমূল কংগ্রেসের জার্সি পড়ে এলাকাতে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে৷ তারা কেউ তাঁর অনুগামী নয় বলে দাবি করেন তিনি। সবাই কংগ্রেস বা অন্যদলের। শ্রমিক সরবরাহ নিয়ে এলাকায় ২০জনের একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। তারাই বিষয়টি দেখাশোনা করে। তিনি কোনভাবে যুক্ত নয়।