স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ : বিধানসভা ভোটের আগে কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীকে বাড়তি গুরুত্ব। গোষ্ঠী কোন্দল রুখতে কৃষ্ণ ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত নিহার ঘোষকে নিয়ে আসা হল কোর কমিটিতে। দায়িত্ব বাড়ল মৌসুম ঘনিষ্ঠ দুই নেতার। হেমন্ত শর্মা ও সাবিনা ইয়াসমিনকে করা হলো কো অডিনেটর।

অন্যদিকে রতুয়ার দাপুটে যুব নেতা ইয়াসিন প্রকাশ্য মঞ্চে কো-অডিনেটর মানব বন্দোপাধ্যায় সম্পর্কে মন্তব্য করেন এরপরই সরিয়ে দেওয়া হয় মানব বন্দোপাধ্যায়কে। জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর দুলাল সরকার বলেন, সামনে কঠিন লড়াই তাই ব্যালেন্স রাখা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া দলের অস্তিত্ব নেই। যারা দল ছেড়ে গিয়েছে তাদের কোনও অস্তিত্ব নেই।

দলে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে। সেটা জানাচ্ছে। দলের মধ্যে একটা খোঁটাখুঁটি আছে সেটা টিকিট নিয়ে। বারোটা আসনে ৪০ জন দাবিদার। পুরাতন মালদহের ৬ জন দাবিদার। এত দাবিদার আছে টিকিটের যার জন্য রেষারেষি আছে।

যদিও এই প্রসঙ্গে সদ্য দায়িত্ব পাওয়া চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, “আগেও আমি সভাপতি ছিলাম এখন দল আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে এটা রেস্পন্সিবিলিটি। দল যে দ্বায়িত্ব দিবে আমাকে সেটা পালন করতে হবে। কেউ দলকে মেলাইন করছে কিনা। ব্যাক বাইট করছে কিনা সেটা দেখার দায়িত্ব আমার।সরকারি কোন আধিকারিকের কাজকর্মের জন্য দলের ক্ষতি হলে সেই রিপোর্ট আমি নেতৃত্বকে পাঠাবো।”

মৌসম ঘনিষ্ঠতা সদ্য হওয়া কো-অডিনেটর হেমন্ত শর্মা বলেন, “এখানে ঘনিষ্ঠ হওয়ার কোনো প্রশ্ন নেই। দল যাদেরকে যোগ্য মনে করেছে তাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে।”

জেলা বিজেপির সহ সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূলের কমিটি দেখে মনে হয়েছে একটা ব্যালেন্স করার খেলা চলছে। এই ভাবে ব্যালেন্স করে কোনও লাভ নেই। এইরকম ব্যালেন্স করে কোন লাভ হবে না দল ভাঙবেই।

যারা কমিটিতে রয়েছে তারাও যোগাযোগ রাখছে যারা কমিটিতে নেই তারাও যোগাযোগ রাখছেন। অনেকেই আছেন যারা আগামী দিনে বিজেপির মিছিলের প্রথম সারিতে হাঁটবেন।”

যদিও জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী মৌসম বেনজির নুর বলেন, “দলে কোনও গোষ্ঠী কোন্দল নেই। নতুন কমিটি হয়েছে সবাই আমরা এক সঙ্গে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।