মালদহ : মালদায় বিজেপি প্রার্থী গোপাল চন্দ্র সাহার ওপর হামলা। বিজেপি প্রার্থীকে গলায় গুলি করা হয়েছে। তাঁকে চিকিৎসার জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। চিকিৎসা চলছে। বিজেপি অভিযোগ তৃণমূলের দিকে। যদিও এই ঘটনায় এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।তবে গোপাল চন্দ্র সাহার অবস্থা স্থিতিশীল।

অষ্টম দফায় মালদায় নির্বাচন। রবিবার পুরাতন মালদার সাহাপুর বাজারে সভা করে বিজেপি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৮টা থেকে ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ তাঁকে গুলি করা হয়। গোপাল চন্দ্র সাহার গলায় গুলি লাগে।

এই ঘটনায় বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, “গোপাল চন্দ্র সাহা আজ সন্ধ্যা সাড়ে আটটা নাগাদ প্রচার শেষ করে সবে গাড়িতে উঠতে যাবেন এই সময় তাঁকে গুলি করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বহিরাগত বলে অনেক কথা বলেন। তিনি দেখছেন রাজ্যের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি কোন জায়গায় পৌঁছেছে। একজন প্রার্থীর নিরাপত্তা নেই। তাহলে রাজ্যের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?” তবে কারা গুলি করেছে সেই প্রশ্নে দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, “আমি একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংসদ। আমি না জেনে আন্দাজে বলতে পারি না কে বা করা গুলি করেছে। তবে কী করে সন্ধ্যা বেলায় পুরাতন মালদার সাহাপুর বাজারে দুষ্কৃতীরা এসে প্রার্থীকে গুলি চালায়? আসলে গোপাল চন্দ্র সাহা বিজেপি-র প্রার্থী হিসেবে জিতবেন। সেটা জেনেই তাঁর ওপর আক্রমণ করা হয়েছে।”
তবে ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী বলেন, “তৃণমূলের কেউ এই গুলি করেনি। তবে যারাই এই কাজ করে থাকুক এটা নিন্দনীয় ঘটনা। আমি চাই অপরাধী যে দলেরই হোক তার যেন সাজা হয়। আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করবো এই ঘটনার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে।”

মালদহে বিধানসভা কেন্দ্রে আগামী ২৯ এপ্রিল অর্থাৎ অষ্টম দফায় নির্বাচন। এলাকায় তাই এই মুহূর্তে নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত সবকটি রাজনৈতিক দল। রবিবার তাই পুরাতন মালদহের সাহাপুর বাজার এলাকায় সভা করছিলেন বিজেপি প্রার্থী গোপালচন্দ্র সাহা। খুব বড় সভা না হলেও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এছাড়া ছিলেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আচমকাই সভাস্থলের সামনে দুজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি এসে হাজির হন। তারাই গুলি চালায় গোপালচন্দ্র সাহার ওপর। গুলি লাগার সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দিকে সবাই তখন নজর দিয়ে রয়েছেন। এই সুযোগে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায় ঘটনাস্থল থেকে। এরপরই বিজেপি প্রার্থীকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই সম্ভবত আহত বিজেপি প্রার্থীর অস্ত্রোপচার করা হবে। প্রয়োজনে তাঁকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় স্থানান্তরিত হতে পারে বলেও জানা গেছে। তবে প্রার্থীর গলায় গুলি লাগার এই ঘটনায় সাহাপুর বাজার এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিরাট পুলিশ বাহিনী। অভিযুক্তরা অধরাই রয়ে গেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.