স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: ভাটপাড়া দখল সম্পন্ন৷ উত্তর২৪ পরগনার আরও তিনটির রং-ও গেরুয়ার পথে৷ লোকসভা ভোটের পর রাজ্যে পালা বদল চলছে৷ পরিবর্তনের এই হাওয়ায় গা ভাসাবেন পুরাতন মালদহ পুরসভার তৃণমূলের কাউন্সিলররাও৷ দিন কয়েক আগেই এই দাবি করছিলেন মালদা শহর বিজেপির সভাপতি৷ ফলে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন পুরসভার তৃণমূল চেয়ারম্যান৷ প্রত্যয়ী কার্তিক ঘোষের দাবি, ‘‘বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে বিজেপি। আমরা তৃনমূলে আছি তৃণমূলেই থাকব।’’

পুরাতন মালদা পুরসভার মধ্যে বর্তমানে রয়েছেন তৃণমূলের ১৯ জন। এদের মধ্যে ১৪ জন কাউন্সিলরই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবে বলে দাবি করেছিলেন পুরাতন মালদা শহর বিজেপির সভাপতি চন্দন দে। তবে বিজেপির দাবির কয়েকদিন পরে ড্যামেজ কন্ট্রোলে’ নামেন পুরাতন মালদা পৌরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষ। পুরসভার ক্ষমতা ধরে রাখতে কাউন্সিলরদের নিয়ে চলে দফায় দফায় বৈঠক। তবে যারা বিজেপি যওয়ার জন্য গোপনে যোগাযোগ করছে তারা প্রত্যেকে তৃণমূলেই থাকবে বলে দাবি করেন চেয়ারম্যান। প্রকাশ্যে ভোট ময়দানে এসে লড়াইয়ের আহ্বান জানান তিনি।

চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষ বলেন, ‘‘পুরাতন মালদা পৌরসভায়ে যারা বিজেপি করে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তি মূলক কথাবার্তা বলছেন। তারা বলছেন ১৪-১৫ জন কাউন্সিলর বিজেপিতে যোগ দেবেন। কখনও বা বলছেন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই পৌরসভা দখল করবে। বিজেপির পৌরসভা হয়ে যাবে। আমি মনে করি এগুলো বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। জনমানুষের এটা বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। যারা এই ধরনের কথাবার্তা বলছেন তারা নিজেদের অস্তিত্ব জাহির করতে চাইছে। তাদের এই সমাজের রাজনৈতিকভাবে কোনও অস্তিত্ব নেই। ভুল কথা বলে লাভ নেই নির্বাচনে আসুন। মানষই এখানে শেষ কথা বলবে।সবাই তৃণমূলী প্রত্যেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে আদর্শিত।’’

পালটা বিজেপির পুরাতন বাংলা নগর মন্ডলের সভাপতি চন্দন বলেন, ‘‘লোকসভা নির্বাচনে পুরাতন মালদা থেকে মানুষ যেভাবে বিজেপিকে আশীর্বাদ করেছে। আমরা চাইলে তা দখল করতে পারি। গাদ্দারি করে আমরা তা করব না। কারন মানুষ আমাদের পাশে আছে।’’

দাবি, পালটা হুঙ্কার৷ টানাপোড়েন তৃণমূল বিজেপির৷ এই আবহে পুরাতন মালদহ পুরসভা থাকবে কার হতে? কৌতুহল রাজনৈতিক শিবিরের৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।