মালদহ:  যত দিন যাচ্ছে পুজোর মুখে ততই অবস্থা খারাপ হচ্ছে মালদহ জেলার বন্যা পরিস্থিতি। ইতিমধ্যে মালদহ রতুয়া রাজ্য সড়কের ওপর দিয়ে ফুলহার নদীর জল বইতে শুরু করেছে। যার ফলে বড় গাড়ি যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বানভাসি যে সমস্ত মানুষ রয়েছে তাদেরকে উদ্ধার করে ইতিমধ্যে উঁচু স্থানে আনা হচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত বহু মানুষ বন্যার জলে আটকে রয়েছেন বলে খবর। ত্রাণ পাওয়া নিয়ে অভিযোগ রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

ইতিমধ্যেই জেলার রতুয়া হরিশ্চন্দ্রপুর কালিয়াচক ২,৩নম্বর ব্লকের কৃষিজমি জলের তলায় রয়েছে। মাথায় হাত পড়েছে কৃষকদের। এমত অবস্থায় বানভাসি মানুষেরা নিজেদের উদ্যোগে যে সমস্ত ফাঁকা জায়গা রয়েছে সেই জায়গাগুলিতে এসে তাঁবু খাটিয়ে দিন কাটাচ্ছে। তাদের অভিযোগ ১২ দিন হল জলের তলায় থাকলেও তাদের উদ্ধারের কোনও ব্যবস্থা করেনি কেউ। তাই নিজেদের জীবন বাঁচাতে শিশু ও পশুদেরকে নিয়ে মালদহ রতুয়া রাজ্য সড়কের পাশেই ফাঁকা জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে দিন কাটাচ্ছে। কখনো একবার খাওয়ার জুটছে আবার কখনো জুটছে না।

কিভাবে তারা বাঁচবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। ক্রমশই বাড়ছে জল। হয়তো যে জায়গায় রয়েছে সেই জায়গায়ও জলের তোড়ে ভেসে যাবে বলে কার্যত আশঙ্কাতে দিন কাটাতে সেই সমস্ত মানুষদের। এদিন কালিয়াচক 3 নম্বর ব্লকে বন্যা পরিদর্শনে যান বিপর্যয় দফতরের মন্ত্রী জাভেদ খান ও জেলা তৃণমূল সভাপতি মৌসম বেনজির নূর। তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসেছি পাশাপাশি মানুষের যে সমস্ত জায়গায় তাদের বাড়িঘর পড়ে গিয়েছে বা জলের তলায় চলে গিয়েছে তাদের একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।