মুম্বই- বেশ কিছুদিন ধরে সম্পর্কের হয়েছেন অভিনেত্রী মালাইকা আরোরা এবং অর্জুন কাপুর। প্রেমের সম্পর্কে বয়স যে কোনো বিষয় নয় তারা তারা বুঝিয়ে দিয়েছেন। প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের নানান মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেন মালাইকা ও অর্জুন।

শনিবার এমনই একটি ভিডিও নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন মালাইকা। সেই ভিডিওর ক্যাপশনে মালাইকা জানিয়েছেন তিনি জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞ। সেই ভিডিওয় বেশ কয়েকবার অর্জুনকেও দেখা গিয়েছে।

এছাড়াও অর্জুনের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের আরেকটি ছবি আলাদা করে শেয়ার করেছেন মালাইকা। সেই ছবিতে দুজনের রসায়ন দেখে মুগ্ধ হয়েছেন অনুরাগীরা।

ছবির ক্যাপশনে মালাইকা লিখেছেন যে, অর্জুন এর সঙ্গে কাটানো সময়গুলো তার কাছে সর্বদা খুব সুন্দর। ছবিতে মালাই কাকে খুব সুন্দর একটি সবুজ রঙের প্যান্ট স্যুটে দেখা যাচ্ছে।

তার সঙ্গে মানানসই ব্রাউন লোফার জুতোয় ফাশনিস্টা লাগছে অভিনেত্রী কে।

অন্যদিকে ধূসর রঙের সোয়েটশার্টের সঙ্গে একটি কালো রং-এর প্যান্ট এবং কালো বুট পরেছেন অর্জুন। দুজনের ফ্যাশনেই রয়েছে শীতের ছোঁয়া। এই মুহূর্তে হিমাচল প্রদেশ সে ছুটি কাটাতে গিয়েছেন মালাইকা ও অর্জুন।

তবে মালাইকার অনেক আগেই হিমাচল প্রদেশের পৌঁছে গিয়েছিলেন অর্জুন কাপুর। কারণ সেখানে ভূত পুলিশ ছবির শুটিং চলছিল তাঁর। সেই ছবিতে তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন সইফ আলি খানও।

এরপরে হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালায় পৌঁছান মালাইকা। করিনা কাপুর খান এবং তৈমুরকেও সেখানে দেখা যায়। সেখানের একটি ভিডিও সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল হয়েছিল।

সেই ভিডিও এ দেখা যাচ্ছে তৈমুর ভিড় করা যেন তাদের দিকে নিষেধ করছে, যাতে তার কোন ছবি তোলা না হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I