রোজ মাখন-পাউরুটি চিবিয়ে স্কুল বা অফিস দৌড়ানোর অভ্যেস বেশিরভাগেরই রয়েছে। এর স্বাদ ও গন্ধের জন্যে রান্নাতেও বেড়েছে এর কদর। বেকিং বা যে কোনো পঞ্জাবি রান্নায় তো এর উপস্থিতি অনস্বীকার্য। তবে সাম্প্রতিককালে ডায়েট বা রোগা থাকার চল আসার পর থেকে অনেকেই এর ফ্যাটের জন্যে খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছেন মাখনকে। তবে এর গুণগুলিকেও অস্বীকার করার উপায় নেই কোনোভাবেই।

তবে যেহেতু এর ফ্যাট, তাই মাখন একটি উচ্চমাত্রায় থাকা ক্যালোরিযুক্ত খাদ্যবস্তু। ১৪ গ্রাম অর্থাৎ ১ টেবিল চামচ মাখনে রয়েছে ১০০ ক্যালোরি যা একটি মাঝারি আকারের কলার সমান। এতে প্রায় ৪০০ টি আলাদা আলাদা ফ্যাটি এসিড রয়েছে মজুদ। তবে এতে ভিটামিন এ, ডি, ই, কে২, বি১২ রয়েছে যা অগ্রাহ্য করা যাবে না।

এবার আসা যাক মাখন খাবার কথায়। প্রতিদিন তা কিনে আনার থেকে যদি বাড়িতেই বানিয়ে কিছুদিন একে সঞ্চয় করে রাখা যায় তাহলে কেমন হয়? বানানোর প্রক্রিয়া একেবারেই জটিল নয়। নিচে রইলো সেই বিবরণ।

উপকরণ: দুধের সর ১ কাপ (সোয়া ২ লিটার ফুলক্রিম দুধের), ফ্রিজে ঠাণ্ডা করে রাখা জল ১ গ্লাস এবং কিছু বরফ টুকরো।

কীভাবে বানাবেন: প্রথমেই যেটা করবে হবে আপনাকে তা হলো প্রতিদিন দুধ জ্বাল দেওয়ার সময়ে তা ঠাণ্ডা করে সেই দুধের সর তুলে জমিয়ে বক্সে ভরে ফ্রিজারে রেখে দেবেন। আবার একদিনেই বারবার করে সেই দুধ জ্বাল দিয়ে ঠাণ্ডা করে উপরে সর জমলে সেই সর তুলে নিয়ে ফ্রিজে রাখতে পারেন। দুধের সর মোটামুটি ১ কাপ মতো জমাতে হবে।

আরো পোস্ট-এই খাবার লিভার ড্যামেজ করছে না তো…রাখুন নিয়ন্ত্রণে

সেই সর জমতে জমতে ১ কাপের মত হয়ে গেলে তা ফ্রিজ থেকে বের করে ঘরের টেম্পারেচারে রেখে নরম করে নিয়ে স্ট্যান্ড মিক্সার বা ইলেকট্রিক বিটারে ভালো করে ফেটিয়ে নিতে হবে আপনাকে। বিট করার সময় এর মধ্যে সামান্য ফ্রিজের ঠাণ্ডা জল দিয়ে দিতে পারেন। এই সময়ে সরের যা মাত্রা তার থেকে উপরে বাটার জমতে শুরু করলে এবং বাটার মিল্ক আলাদা হয়ে গেলে তখন আপনি বিট করা বন্ধ করে দিন।

এবার একটি বড়ো পাত্রে ফ্রিজের বরফ ঠাণ্ডা জল এবং সেই সঙ্গেই আবার অল্প কিছু বরফ টুকরো বের করে নিন। এখন উপরের জমে যাওয়া বাটার পুরোটা বাটার মিল্ক থেকে ছেঁকে ছেঁকে নিয়ে বরফ ঠাণ্ডা জলের মধ্যে মিশিয়ে দিতে হবে। বাটার ঠাণ্ডা জলে ছাড়ার কিছুক্ষন পর জলের মধ্যে থেকে বাটার গুলো জড় করে হাতের মধ্যে নিয়ে চেপে চেপে বাটার থেকে সব জল ঝরিয়ে নিন। এবার সেই বাটার একটি চারকোনা বক্সে চেপে চেপে রেখে পছন্দসই আকার দিন। এরপর ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন অনেকদিন পর্যন্ত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.