নয়াদিল্লি: বিভিন্ন রাজ্যে বিদ্যুতজনিত সমস্যা ভিন্ন আর তাই সবার জন্য এক রকম বিদ্যুৎ নীতি প্রযোজ্য হবে বলে মনে করছেন না প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী। এই কারণে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ ও পুনর্নবীকরণ শক্তি মন্ত্রকের সঙ্গে হওয়া সর্বশেষ পর্যালোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী সকলের জন্য এক বিদ্যুৎ নীতি এড়িয়ে চলতে বলেছেন। বরং তিনি চেয়েছেন, বিদ্যুৎ মন্ত্রক এবার যেন রাজ্যভিত্তিক কোথায় কেমন করে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নতি করা যায় তা ভেবে নীতি ঠিক করে।

তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রককে জানিয়েছেন , ব্যবস্থা নিতে যাতে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থাগুলি সময় সময় তাদের পারফরম্যান্স প্যারামিটার প্রকাশ করে। এরফলে জনগণ জানতে পারবে ওই বন্টন সংস্থা বিদ্যুৎ এর কি দাম নিচ্ছে অন্যদের তুলনায়। গত পাঁচ বছর ধরে বিদ্যুৎ মন্ত্রক একের পর এক প্রকল্প চালু করেছে যাতে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থার আর্থিক এবং কার্য ক্ষমতাগত স্বাস্থ্যের উন্নতি করা যায়। এদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদয় যার লক্ষ্য বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থাগুলিকে ঘুরে দাঁড় করানো।

যদিও এইসব প্রকল্পগুলির মিশ্র সাফল্য দেখা গিয়েছে- কোনও কোনও সংস্থা আরও খারাপ অবস্থায় গিয়েছে এবং কোন সংস্থা রীতিমতো তাদের ক্ষতির অংক কমিয়েছে। ড্যাশবোর্ড এবং মোবাইল অ্যাপ যেমন-উর্যা মিত্র, প্রাপ্তি, মেরিট আনা হয়েছিল যাতে বিদ্যুৎ সরবরাহের অবস্থা, বিদ্যুৎ কেনার হার, কোথায় বকেয়া কত ইত্যাদি জানা যায়। সব রাজ্যে ওই অ্যাপে নেই এবং সময়মত তথ্য সরবরাহ করেনি।

অর্থমন্ত্রক সম্প্রতি ঘোষণা করেছে, বিদ্যুৎ সংস্থার সহায়তা করতে ৯০০০০ কোটি টাকার প্যাকেজ। এই বিশেষ ঋণ সহায়তা করা হবে ওইসব বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থাকে যাতে তারা বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থাকে প্রয়োজনীয় পেমেন্ট করে দিতে পারে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী পুনর্নবীকরণ শক্তির ক্ষেত্রকে বলেছে, কৃষি ক্ষেত্রে সোলার ওয়াটার পাম্প থেকে সোলার কোল্ডস্টোরেজ হলিস্টিক অ্যাপ্রোচে‌ এগোনোর। প্রধানমন্ত্রী চান বিদ্যুৎ ক্ষেত্রকে কাজে লাগানো হোক মেড ইন ইন্ডিয়া ইকুইপমেন্টে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।