Demo Pic

নয়াদিল্লি: ভারতের মুসলমানদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই হিন্দুদের বংশধর৷ গোমাংস ইস্যুতে সোমবার লোকসভার বিতর্কে এমনটাই বললেন বিজেপি সংসদ সদস্য হুকুমদেব নারায়ণ যাদব৷ সেইসঙ্গে হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়কেই পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি৷

আরও পড়ুন: এরাজ্যেই আছে এমন স্থান! শিব মন্দির আর দরগার মধ্যে নেই কোনও দেওয়াল

দেশের একাধিক রাজ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে তুচ্ছ কারণে নিধনের সম্মুখীন হতে হচ্ছে৷ এই অভিযোগে সোমবার সংসদে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একযোগে তোপ দাগে বিরোধীরা৷এইসব ঘটনা নিয়ন্ত্রণে নরেন্দ্র মোদীর সরকার কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না বলেও বিরোধী বেঞ্চ থেকে অভিযোগ তোলা হয়৷অভিযোগের জবাবে বলতে উঠে বিহারের মধুবনীর বিজেপি সংসদ সদস্য হুকুমদেব নারায়ণ যাদব বলেন, এই ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বয়ং৷ এইসব ঘটনার জন্য যারা দায়ী তাদের সঙ্গে কেরলে যারা সঙ্ঘের দফতরে হামলা চালিয়েছে তাদের কোনও ফারাক নেই৷ বিজেপি সাংসদের মতে, এইসব ভেকধারীর দেখা রামায়ণেও মিলেছে৷রাবণ ভিখারির ছদ্মবেশে সীতাকে হরণ করেছিল৷ভারতের হিন্দু-মুসলমান সম্পর্ক বোঝাতে আরএসএসের স্বনামধন্য প্রচারক ও তাত্ত্বিক দীনদয়াল উপাধ্যায়ের বক্তব্য তুলে ধরেন হুকুমদেব নারায়ণ যাদব৷ দীনদয়ালকে উদ্ধৃত করেই তিনি বলেন, ‘দেশের অধিকাংশ মুসলমানই হিন্দুদের বংশধর৷’

আরও পড়ুন: ‘ভারত মাতা কী জয়’ না বলায় চড় খেলেন সংখ্যালঘু

হুকুমদেব নারায়ণ যাদবের মতে, দেশের প্রত্যেক মুসলমানের যেমন হিন্দুদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো উচিত ঠিক তেমনই হিন্দুদেরও উচিত মুসলমান নাগরিকদের মর্যাদা দেওয়া৷ কিন্তু কংগ্রেস যে অভিযোগ তুলেছে তার উত্তর দিতে তিনি বাধ্য নন৷ তার চেয়ে মৃত্যু বরণেও তিনি রাজি বলে হুংকার দেন হুকুমদেব৷ সেইসঙ্গে বামপন্থীদের ঠুকে বলেন, যাঁরা কংগ্রেসের সঙ্গে বসে বিরিয়ানি খেয়ে বাইরে ‘বিরোধী বিরোধী’ খেলা খেলেন তাঁদেরও কোনও কৈফিয়ত দিতে তিনি রাজি নন৷

আরও পড়ুন: দমকলে খবর দেয় মকসুদ, শৌভিককে বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন আমিরুল

বিতর্কের সূত্র ধরেই বিজেপি সাংসদ বলেন, স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় ‘বন্দেমাতরম’ গাইতে মওলানা আবুল কালাম আজাদ ও খান আবদুল গফ্ফার খান কেউই কুণ্ঠাবোধ করেননি৷অথচ, এখন সেই ‘বন্দেমাতরম’ গাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠছে! একইসঙ্গে মাওবাদীদের সঙ্গে সংসদীয় রাজনীতিকদের দহরম-মহরমের প্রসঙ্গও টেনে আনেন মধুবনী লোকসভা কেন্দ্রের জনপ্রতিনিধি৷ ঝোঁকের মাথায় বলতে গিয়ে তিনি বোধহয় ভুলে গিয়েছিলেন, ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যু পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-র সঙ্গে নকশালদের আসন সমঝোতা হয়েছিল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।