নয়াদিল্লি: সোমবার থেকে গুলির লড়াই চলছে জম্মু কাশ্মীরের অনন্তনাগে৷ জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে শহিদ হয়েছেন মেজর কেতন শর্মা৷ দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগের আছাবল এলাকায় এই গুলির লড়াইয়ে দেশ হারাল তাঁর বীর সন্তানকে৷ মেজর শর্মার সঙ্গেই গুরুতর আহত হন আরও দুই জওয়ান৷ ইতিমধ্যেই নিকেশ করা গিয়েছে এক জঙ্গিকে৷

অনন্তনাগে সোমবার দিনভর তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল ১৯ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, জম্মু কাশ্মীর পুলিশ ও সিআরপিএফ৷ তখনই শুরু হয় গুলির লড়াই৷ মেজর শর্মার শহিদ হওয়ার খবরে শোকের ছায়া তাঁর বাড়ি উত্তর প্রদেশের মিরাটে৷ সন্তানের মৃত্যুর খবরে শোকে পাথর হয়ে গিয়েছেন মেজর শর্মার বাবা রবীন্দ্র শর্মা ও মা উষা শর্মা৷

আরও পড়ুন : সাত সকালে কাশ্মীরে শুরু গুলির লড়াই

প্রাথমিকভাবে মেজর শর্মার শহিদ হওয়ার খবর তাঁর মাকে দেওয়া হয়নি৷ বলা হয়েছিল গুরুতর আহত মেজর শর্মা৷ কিন্তু ততক্ষণে বাড়িতে ভিড় করতে থাকেন আত্মীয় পরিজনরা৷ খবর চেপে থাকেনি৷ ১৯৮৭ সালের চৌঠা অক্টোবর জন্ম হয় মেজর শর্মার৷ ২০১২ সালে ভারতীয় সেনার শিখ লাইট ইনফ্যান্ট্রিতে একজন লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ দেন তিনি৷ দেরাদুনের ইণ্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমির এই ছাত্র প্রথম থেকেই সাহসী হিসেবে পরিচিত ছিলেন৷

পুনেতে পোস্টিং হয় কেতন শর্মার৷ তারপর সেখান থেকেই সোজা অনন্তনাগ৷ দুবছর আগেই যোগ দেন ১৯ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসে৷ জম্মু কাশ্মীরের কাউন্টার ইনসার্জেন্সিতে সেই থেকেই কাজ শুরু৷ ছবছর আগে বিয়ে করেন কেতন৷ স্ত্রী ইরা মান্দার শর্মা বাপের বাড়িতে ছিলেন, যখন কেতনের মৃত্যুর খবর আসে৷ কেতন ইরার তিন বছরের কন্যা সন্তান কিয়ারা এখনও হয়তো বুঝে উঠতে পারেনি, যে তার বাবা আর নেই৷

আরও পড়ুন : গুজরাতে নিজের বাবাকে হোয়াটসঅ্যাপ করে স্ত্রীকে তালাক দিল যুবক

মেজর কেতন শর্মার মরদেহ মঙ্গলবার ১২ টা পর্যন্ত দিল্লিতে রাখা হবে৷ সেখান থেকে তাঁর বাড়িতে পাঠানো হবে তাঁর কফিন৷ পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মঙ্গলবারই শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে তাঁর৷ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ শহিদ মেজরের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করেছেন৷ তাঁর পরিবারের একজনকে চাকরি ও ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেন৷ মীরাটের একটি রাস্তার নাম শহিদ মেজর কেতন শর্মার নামে করা হবে বলেও ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর৷

এর আগে গত ১২ জুন অনন্তনাগে সিআরপিএফ-জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে ৫ জওয়ান শহিদ হন৷ শহিদ জওয়ানরা হলেন, এএসআই রমেশ কুমার(ঝঝ্ঝর, হরিয়ানা). এএসআই নিরোদ শর্মা (নলবাড়ি, অসম), সিটি সত্যেন্দ্র কুমার (মুজফ্ফরনগর, উত্তরপ্রদেশ), সিটি মহেশ কুমার কুশওয়াহা(গাজিপুর, উত্তপ্রদেশ) এবং সিটি সন্দীপ যাদব (দেওয়াস, মধ্যপ্রদেশ)৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।