শ্রীনগর: কিছুদিন আগেই নতুন করে খবরের শিরোনামে এসেছেন মেজর লীতুল গগৈ। হোটেলে এক কাশ্মীরি যুবতির সঙ্গে পাওয়া গিয়েছে তাঁকে। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে তদন্ত। তবে এবার উঠে এল নতুন তথ্য। ফেসবুকের মাধ্যমে আগে থেকেই ওই মহিলার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল মেজর গগৈ-এর।

গত বুধবার পুলিশের হাতে ধরা আটক হন মেজর। এরপর তাঁর ও ওই মহিলার বয়ান নেওয়া হয়। সেখানে ওই মহিলা বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে মেজরের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব হয় বেশ কিছুদিন আগেই। তিনি আরও বলেন, তিনি নিজের ইচ্ছেতেই মেজর লীতুল গগৈ-এর সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়েছিলেন।

ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কাশ্মীরের এসপি (উত্তর) ও এক ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসার। তাঁদেরকে তিনি জানান, এই প্রথম নয়, তিনি এবং মেজর গগৈ তার বহুবার দেখা করেছেন। একসঙ্গে বেড়াতেও গিয়েছেন বিভিন্ন জায়গায়। পাশপাশি তিনি নিজেকে প্রাপ্ত বয়স্ক বলেও দাবি করেছেন ওই মহিলা। প্রমাণ হিসেবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটকে তাঁর আধার কার্ডও দেখিয়েছেন।

আধার কার্ড অনুযায়ী তাঁর জন্ম ১৯৯৯ সালে। দশম শ্রেনী অবধি পড়াশোনা করেছেন তিনি, আপাতত একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তবে তাঁর বয়স নিয়ে এখনও ধন্দ আছে পুলিশের মনে। কাশ্মীর পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘মহিলা সত্যিই প্রাপ্তবয়স্ক কিনা তা এখনও তদন্ত করতে হবে।’

সূত্রের খবর, আদিল আদনান নামে একজনের সঙ্গে তাঁর ফেসবুকে আলাপ হয়। আলাপ গড়ায় বন্ধুত্বে। একমাসের মধ্যেই মহিলা জানতে পারেন ‘আদিল আদনান’ আর কেউ নন, তিনি সেই বিতর্কিত সেনা অফিসার মেজর লীতুল গগৈ। আদিল আদনান তাঁর জাল ফেসবুক পরিচয়। তবে মেজর তাঁকে ধোঁকা দেননি, বলেই তরুণীর দাবি। তিনি ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেন মেজর গোই নিজেই তার আসল পরিচয় প্রকাশ জানিয়েছিলেন। মেজরের পরিচয় জানার পরই তাঁদের বন্ধুত্ব গাঢ় হয়। ঘটনাটি পরই অবশ্য ওই তরুণীকে অনেক দূরের গ্রামে তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।