কুয়েত সিটি ও ঢাকা: বাংলাদেশের সাংসদের সঙ্গে মিলে মানবপাচার ও হাজার কোটি টাকার দূর্নীতি, বিপুল পরিমাণ বেআইনি সম্পত্তি রাখার অভিযোগে কুয়েতের সেনাকর্তা গ্রেফতার। তাকে জেরা করে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

অভিযোগ, বাংলাদেশের সরকারে থাকা আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ তথা নির্দল সাংসদ শহিদ ইসলাম পাপুলের সঙ্গে মিলে কুয়েতের মেজর জেনারেল মাজেন আল-জাররাহ মানব পাচারে জড়িত। এই অভিযোগে আগেই বাংলাদেশের সাংসদ পাপুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে কুয়েত কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে রেখে জেরা করছে দেশটির গোয়েন্দা বিভাগ।

জানা গিয়েছে কুয়েতি সেনা কর্তা মাজেন আল জাররাহ তার দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকেরও আন্ডার সেক্রেটারি পদে ছিলেন। তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে কুয়েত সরকার। বাংলাদেশিদের কুয়েত হয়ে আরব দুনিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বিপুল পরিমাণ পাঠানোর ব্যবসায় জড়িত সাংসদ পাপুল। তিনি গত জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নির্দল প্রার্থী হিসেবে লক্ষ্মীপুর-২ আসনে জয়ী হন।

ফলে তীব্র অস্বস্তিতে আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ সরকার সব দিক খতিয়ে দেখছে। ঢাকায় এমনই জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। এদিকে কুয়েত সরকার জানায়, এই মানবপাচার কাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে।

চাঞ্চল্যকর এই খবর তুলে ধরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অন্যতম সংবাদপত্র গাল্ফ নিউজ। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কুয়েতে এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতারের পর বাংলাদেশের সাংসদ পাপুলের নাম সামনে আসে। সেই সূত্রে জানা যায় কুয়েতের সেনা কর্তা মাজেন আল জাররাহের নাম।

কুয়েত সরকার তদন্তে জানতে পেরেছে বাংলাদেশি এমপি পাপুলের সঙ্গে জোট করে অন্তত ২৩ হাজার বাংলাদেশিকে বেআইনিভাবে ভিসা পাইয়ে দিয়েছে সেনা কর্তা মাজেন আল জাররাহ। সবমিলে মানবপাচারের এই চক্র থেকে ১৪০ কোটির বেশি লাভ করে বাংলাদেশের সাংসদ পাপুল। তার সব ব্যাংক একাউন্ট বন্ধ করেছে কুয়েত সরকার।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ