স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: কিছু সময়ের মধ্যে থমকে গেল গোটা শহর৷ চারিদিকে শুধু বাঁচার আর্তনাদ৷ ব্যস্ত শহর হয়ে গেল থমথমে৷ ভেঙে পড়ল মাঝেরহাট ব্রিজের একাংশ। চারপাশ জুড়ে শুধুই আর্তনাদ। স্বজনকে খোঁজার ব্যস্ততা। ঘটনায় উদ্বিগ্ন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দার্জিলিংয়ে বসে প্রতি মুহূর্তে কলকাতার খবর নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন রাজ্য সরকারের দুই দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই ঘটনাস্থলের তদারকিতে তারা।  এই বিষয়ে মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, ‘‘এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। আজ থেকে চল্লিশ বছর আগে এই ব্রিজ তৈরি করেছিল পোর্ট ট্রাস্ট। সেই ব্রিজটি মঙ্গলবার ভেঙে পড়ল৷ মুখ্যমন্ত্রী পাহাড় সফরে গিয়েছেন৷ তিনি আজই ফিরে আসতেন৷ কিন্তু ফ্লাইট না থাকার কারণে তিনি ফিরতে পারলেন না৷ কেএমডিএ, কর্পোরেশন সকলে উদ্ধার কাজে নেমেছে।

যারা আহত বা নিহত হয়েছেন তাদের পাশে রাজ্য সরকার আছে। এই পুরনো ব্রিজটি পোর্ট ট্রাস্ট রক্ষণাবেক্ষণ করে। কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে সেটা বিশেষজ্ঞরা বলতে পারবেন। এখন এই বিষয়ে আলোচনা করার সময় নয়। এখন উদ্ধার কাজে পাশে দাঁড়ানোর সময়। সকলে মিলে উদ্ধার কাজ করতে হবে।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।