স্টাফ রিপোর্টার, হাবড়া: তালাবন্ধ অবস্থাতেই চুরি হয়ে গেল আলমারির ভিতরের সমস্ত জিনিস। ঘটনাটি ঘটেছে হাবড়া থানার স্টাফ কোয়ার্টার মোর এলাকায়। সোমবার দিন থেকে ঘরের আলমারির চাবি খুঁজে পাচ্ছিলেন না গৃহকর্ত্রী। পরে ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে আলমারি খুলে দেখেন আলমারির ভিতরের ফাঁকা অবস্থা।

গত সোমবার থেকেই আলমারির চাবি পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে আলমারিতে নিত্য প্রয়োজনের জিনিস থাকত না তাই বুধবারের আগে আলমারি খুলে দেখার চেষ্টা করা হয়নি। এদিন মেয়ের জন্মদিন-উপলক্ষে নতুন জামার জন্য ডুব্লিকেট চাবি দিয়ে আলমারি খোলা হয়। এরপরেই সামনে আসে ওই অবাক করা চিত্র। তারা দেখেন হাপিস হয়ে গিয়েছে আলমারির ভিতরে রাখা সমস্ত সোনার গয়না। পরে রয়েছে শুধু খালি বাক্স।

বাড়ির কর্তা শ্যামপ্রসাদ মল্লিক বলেন, “ প্রায় সাত লক্ষ টাকার সোনার গহনা খোয়া গিয়েছে।” তাদের সন্দেহের তির বাড়ির কাজের লোকের দিকেই। কারন দিন দশেক আগে হাবড়ার একটি আয়া সেন্টার থেকে তারা দিন রাতের কাজের জন্য এক মহিলাকে নেন। সোমবার চাবি হারানোর দিনেও সে একাই বাড়িতে ছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় পরিচারিকার বিরুদ্ধে হাবড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ওই পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে হাবড়া থানার পুলিশ পরিচারিকাকে গ্রেফতারও করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I