ফাইল ছবি

কলকাতা: টালিগঞ্জে এক গৃহকর্তার বাড়ি থেকে খোয়া যায় দেড় কোটি টাকার সোনার গহনা৷ প্রথম থেকেই সন্দেহের তির বাড়ির পরিচারিকার দিকে৷ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে টালিগঞ্জ থানার পুলিশ৷ মনোহরপুকুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে পরিচারিকাকে৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং থেকে উদ্ধার প্রায় ৫ কেজি সোনা৷

টালিগঞ্জের প্রিন্স গোলাম মহম্মদ শাহ রোডের বাসিন্দা কেদার সারভিয়া৷ তার বাড়িতে কাজ করছিল একজন পরিচারিকা৷ পরিচারিকা কাজে না আসায় গৃহকর্তার সন্দেহ হয়৷ আলমারি খুলে দেখেন খোয়া গিয়েছে তাদের সোনার বাট ও গয়না৷ গতকাল টালিগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়৷ তদন্তে নামে পুলিশ৷

পুলিশ সুত্রে খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে মনোহরপুকুর রোডে পরিচারিকা বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ৷ সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয় গঙ্গা হালদারকে৷ পুলিশি জেরায় পরিচারিকা চুরির কথা স্বীকার করে নেয়৷ এবং তার তথ্যের ভিত্তিতে পরিচারিকার জামাইয়ের ক্যানিংয়ের বাড়িতে পৌঁছে যায় পুলিশ৷ ওই বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয় চুরি যাওয়া প্রায় ৫ কেজি সোনা৷ এর মধ্যে ছিল চারটি সোনার বাট, সোনার বালা, হিরে বসানো প্ল্যাটিনামের ব্রেসলেট, সোনার নেকলেস, কানের দুল, নাকছাবি, হিরের গয়না৷ যার বাজার মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা৷

এর আগে দক্ষিণ কলকাতার সাউথ সিটি আবাসনে চুরি হয়েছিল৷ ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন বৃদ্ধা৷ সেই সুযোগেই পরিচারিকা আলমারি থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা ও দু’টি সোনার দুল চুরি করে৷ পরে পুলিশ অভিযুক্ত পরিচারিকা শিলা মাহাতকে গ্রেফতার করে৷

অভিজাত আবাসন সাউথ সিটি৷ সেই আবাসনের দ্বিতীয় টাওয়ারর ফ্ল্যাট 5-H-এ একাই থাকতেন বৃদ্ধা শোভা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ চলতি মাসের ৯ তারিখ বৃদ্ধার ফ্ল্যাটে চুরির ঘটনা ঘটে৷ খোয়া যায় নগদ ৭০ হাজার টাকা সহ সোনার গয়েনা৷ যাদবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বৃদ্ধা৷ তাঁর সন্দেহের তালিকায় ছিল পরিচারিকা শিলা মাহাত৷

বৃদ্ধার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ৷ খোঁজ শুরু হয় অভিযুক্তের৷ কালীঘাটের গোবিন্দ বোস লেনে গিয়ে জেরা করা হয় শিলাকে৷ পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় চুরির কথা স্বীকার করে সে৷ উদ্দার করা হয় চুরি যাওয়া নগদ ৭০ হাজারের ২৫,৬০০ টাকা ও সোনার গয়েনা৷