স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : চুরির অভিযোগ উঠল পরিচারিকার বিরুদ্ধে৷ গত রবিবারের সেই ঘটনার কিনারা করল কলকাতা পুলিশের গড়িয়াহাট থানা৷ শনিবার অভিযুক্তকে তারা গ্রেফতার করেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর থানা এলাকা থেকে৷

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম নাসিমা খাতুন৷ তার বিরুদ্ধে গত রবিবার কলকাতা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন গড়িয়াহাটের এক বাসিন্দা৷ অভিযোগকারী পুলিশের কাছে দাবি করেন, ওই দিনই তাঁদের বাড়ি থেকে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার সোনার গয়না ও নগদ ৫০ হাজার টাকা খোয়া গিয়েছে৷ বাড়ির পরিচারিকাই এই কাজে যুক্ত বলে অভিযোগে জানিয়েছিলেন তিনি৷

গড়িয়াহাট থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়৷ অভিযুক্ত নাসিমা খাতুনের সন্ধানে তল্লাশি শুরু হয়৷ অবশেষে সূত্র মারফত পুলিশ জানতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে রয়েছে নাসিমা৷ শনিবার সেখানেই গড়িয়াহাট থানার পুলিশ হানা দেয়৷ সেখান থেকেই নাসিমাকে ধরা হয়৷ পুলিশের দাবি, গ্রেফতারের সময় নাসিমার গলায় একটি সোনার চেন ছিল৷ যে চেনের সঙ্গে ঝুলছিল একটি রাধা-কৃষ্ণর লকেট৷ এছাড়াও অভিযুক্তের হাতে একটি মূল্যবান রত্ন পাথর বসানো সোনার ব্রেসলেটও ছিল৷ ওই চেন, লকেট ও ব্রেসলেট চুরি গিয়েছিল বলে অভিযোগকারী পুলিশের কাছে দাবি করেছিল৷

বস্তুত, এই প্রথম নয়৷ এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন বাড়িতে পরিচারিকার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ উঠেছে৷ অনেকে ধরাও পড়েছে৷ তাই পুলিশের তরফে বারবার সতর্ক করা হয়৷ পরিচারিকা নিযুক্ত করলে তাঁর নাম, পরিচয়ের প্রমাণ নিয়ে নেওয়া এবং প্রয়োজনে তা স্থানীয় থানায় জমা দেওয়ার আবেদনও পুলিশ বহুবার জানিয়েছে৷ পুলিশের দাবি, সেই আবেদন সকলে মানেন না৷ ফলে পরিচারিকার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ উঠলে, তার তদন্ত করার সময় চাপে পড়তে হয় পুলিশকে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।