কলকাতা: কানপুরে মাফিয়া ডন বিকাশ দুবের এনকাউন্টারে মৃত্যু নিয়ে উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে কাঠগড়া তুললেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। টুইটে কৃষ্ণনগরের সাংসদের তোপ, ‘অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া পুলিশের কাজ নয়, ওটা আদালতের বিষয়।’ শুক্রবার সকালে উত্তরপ্রদেশের কানপুরের কাছে এনকাউন্টারে নিহত হয় কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিকাশ দুবে।

পুলিশের দাবি, পিস্তল ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টার সময় বিকাশ দুবেকে তাঁরা আত্মসমর্পণ করতে বলেন। জবাবে গুলি চালায় সে, পাল্টা গুলিতে খতম হয় কুখ্যাত এই গ্যাংস্টার। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

এদিকে, বিকাশ দুবের মৃত্যুর ঘটনাকে অনেকেই ফেক এনকাউন্টার বলে বর্ণনা করেছেন। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রও সেই দলে। সেই কারণেই এবার মহুয়ার নিশানায় উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ মহুয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। পুলিশকে বিঁধে মহুয়া লেখএন, ‘অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া আদালতের কাজ। এই কাজ পুলিশের নয়।’

বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নীর মহাকাল মন্দির থেকে বিকাশকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গাড়িতে করেই বিকাশ দুবেকে কানপুরে আনা হচ্ছিল। পুলিশ ও এসটিএফ-এর কর্মীরাই তাঁকে কানপুরে আনছিলেন। শুক্রবার ভোরে কানপুরের কাছাকাছি পৌঁছলে এসটিএফ-এর কনভয় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। যে গাড়িতে বিকাশ ছিল সেটি উল্টে গিয়ে পড়ে রাস্তার ধারে।

গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে উল্টে যায়। পুলিশের দাবি, বিকাশ দুবে গাড়ি থেকে বেরিয়ে আহত পুলিশের থেকে বন্দুক ছিনিয়ে পালাবার চেষ্টা করে।

পুলিশ আত্মসমর্পণ করতে বললে রাজি হয়নি বিকাশ। উল্টে পুলিশকে লক্ষ করেই সে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। পাল্টা গুলিতে গুরুতর জখম হয় কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিকাশ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে বিকাশকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

যদিও কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি-সহ একাধিক বিরোধী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করেই বিকাশকে খুন করেছে পুলিশ। ফেক এনকাউন্টারের তত্ত্ব খাড়া করেছেন অনেকে।

যদিও উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তরফএ স্পষ্ট জানানো হয়েছে। পালানোর সময় বিকাশকে আত্মসংর্পণ করতে বলা হয়। তবে সেই প্রস্তাবে সে রাজি না হয়ে পাল্টা পুলিশের দিকেই গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি চালালে বিকাশের মৃত্যু হয়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ